নওগাঁয় শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট: ২০১৬-০৩-১২ ২০:১৬:২৫


naogaon picture (1) 12-3-2016গত ৪৪ বছরে বাংলাদেশের শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা ৫৩ দশকি ২ ভাগ। ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সের নারীদের শিক্ষার হার বেড়েছে শতকরা ৫৩ ভাগ। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের শিক্ষার হার ছিল শতকরা ১৬ দশমিক ৮ ভাগ।

বর্তমানে শিক্ষার এই হার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে শতকরা ৭০ ভাগ। ১৯৭২ সালে ১৫-২৪ বছর বয়সের নারীদের শিক্ষার হার ছিল ২৭ শতাংশ। বর্তমানে এই হার শতকরা ৮০ শতাংশ। শিক্ষার এই হার বৃদ্ধির সাথে সাথে দেশের উন্নয়নের অন্যান্য সূচকও বৃদ্ধি পেয়েছে।

শনিবার দুপুরে নওগাঁয় আয়োজিত শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার কারন ও রোধ কল্পে করনীয় শীর্ষক এক কর্মশালায় অনুষ্ঠানেরা প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাষ্ট-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরকারের অতিরিক্ত সচিব মোঃ নুরুল আমীন এই তথ্য প্রদান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাষ্টের অর্থায়নের জেলা শিক্ষা অফিস এই কর্মশালার আয়োজন করে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোঃ আমিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাষ্টের সহকারী পরিচালক ড. মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, জেলা শিক্ষা অফিসার সিদ্দিকুল ইসলাম, সাংবাদিক কায়েস উদ্দিন এবং শফিক ছোটন বক্তব্য রাখেন।

জেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, কলেজের অধ্যক্ষ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক, মাদরাসার অধ্যক্ষ, সাংবাদিক ও এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহন করেন। কর্মশালায় কলেজ, স্কুল ও মাদরাসা পর্যায়ে পৃথক পৃথকভাবে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার কারন এবং এর প্রতিকার সম্বলিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। পরে অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে ৬টি ভাগে বিভক্ত হয়ে শিক্ষাথী ঝরে পড়া রোধকল্পে বেশ কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়।

কর্মশালায় আরও জানানো হয় ১৯৯০ সালে প্রাথমিক শিক্ষায় নারী শিক্ষক ছিলেন শতকরা ২০ দশমিক ৫৭ ভাগ। বর্তমানে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে শতকরা ৬৩ দশমিক ৪ ভাগে।

সানবিডি/ঢাকা/আহো