স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

জেলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০২২-০৮-২১ ১৬:২২:২৭


সুনামগঞ্জে যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী আবদুল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মহিউদ্দিন মুরাদ রোববার দুপুরে এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল্লাহ পলাতক রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার জয়কলস গ্রামের আবদুল্লাহর সঙ্গে ২০০৩ সালের ৭ আগস্ট বিয়ে হয় একই গ্রামের সেফালি বেগমের। সংসারে অভাবের কারণে তাদের মধ্যেই প্রায়ই ঝগড়া হত। এক পর্যায়ে আবদুল্লাহ সৌদি আরব যাওয়ার জন্য এক লাখ টাকা দিতে সেফালি বেগমের পরিবারের কাছে যৌতুক দাবি করেন। টাকার জন্য প্রায়ই সেফালিকে চাপ দিতেন আবদুল্লাহ। একই বছরের ২৭ অক্টোবর আবদুল্লাহ সেফালি বেগমকে টাকার জন্য শারীরিক নির্যাতন করেন। পরে তাকে হত্যা করে লাশ বাড়ির পাশের একটি আমগাছে ঝুলিয়ে রেখে সেফালি বেগম আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রচার করেন।

এরপর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত ও আলামত জব্দ করে। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে সেফালি বেগমের মা মালেকা বেগম বাদী হয়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আবদুল্লাহ, তার বাবা খাসিদ আলী ও মা সৈয়দুন্নেসাকে আসামি করা হয়। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

দীর্ঘ বিচারকার্য শেষে আদালত রোববার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে খাসিদ আলী ও সৈয়দুন্নেসাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

এম জি