মহেশখালীতে বিদুৎ কেন্দ্রে বিনিয়োগ করবে মালয়েশিয়ার কোম্পানি

প্রকাশ: ২০১৬-০৩-১৪ ১৫:৪২:৩৬


Power-230x155মহেশখালী দ্বীপে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করবে সরকার। গতকাল রোববার সচিবালয়ে মালয়েশিয়ান কোম্পানির সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

তিনি আরও জানান, সাধারণত যেকোনো প্রকল্পের বিনিয়োগকারীরা অধিকাংশ শেয়ার নিজেদের কাছে রাখতে চাই। তবে মহেশখালী দ্বীপে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে শেয়ারের সমান অংশীদারিত্ব রেখই মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করবে সরকার।

মহেশখালীতে বিদ্যুতের চক্রকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরের এই দ্বীপে আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। এক্ষেত্রে চীনের একটি কোম্পানি সবুজ সংকেত দিয়েছে। তবে আমরা এখনও আলোচনা শুরু করিনি।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ মহেশখালীর সদ্ব্যবহারের লক্ষ্যে সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন আগ্রহ দেখিয়েছে জাপান ও চীন। সেখানে ৩০০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চায় ওই ২ দেশের বিনিয়োগকারীরা। ওই অঞ্চলে বন্দরের উন্নয়নেও কাজ করতে আগ্রহী জাপান।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে দেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগের জন্য চীনের সেপকো ও ইউচটিজির সঙ্গে চুক্তি করেছে এস. আলম গ্রুপ। চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা পশ্চিম বড়ঘোনায় প্রস্তাবিত ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শেষ হলে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর নির্মিতব্য এই প্রকল্পের ৭০ শতাংশ মালিকানা থাকবে এস. আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের। চীনের দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকছে বাকি ৩০ শতাংশ মালিকানা।

অন্যদিকে খুলনায় ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ভারতের সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা।

সানবিডি/ঢাকা/আহো