স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ২০২২-০৮-২৩ ১৪:৫২:০৩


কিশোরগঞ্জের ভৈরবে স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।

সোমবার (২২ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পৌর শহরের চন্ডীবের ও পলতাকান্দা গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়াও প্রতিপক্ষের লোকজন চন্ডীবের গ্রামের পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগসহ সাতটি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানায়, পলতাকান্দা গ্রামের স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীকে আসা-যাওয়ার পথে চন্ডীবের গ্রামের বখাটে প্রকৃতির কয়েকজন যুবক উত্ত্যক্ত করে আসছিলো। এরই জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পলতাকান্দা গ্রামের লোকজন চন্ডীবের গ্রামের লোকজনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগসহ বাড়ি-ঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।

এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার সকালে রাস্তা আটকে দেয় চন্ডীবের গ্রামের লোকজন। ফলে ভোগান্তিতে পরে এ পথে চলাচলকারী যানসহ লোকজন। পরে খবর পেয়ে পৌর মেয়রের নির্দেশে রাস্তাটি খুলে দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পলতাকান্দা গ্রামের উত্ত্যক্তের শিকার শিক্ষার্থীর বাবা রতন বলেন, বেশ কয়েক দিন ধরে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে আমার মেয়েকে চন্ডীবের গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে রিয়াদ উত্ত্যক্ত করে আসছে। ফলে এ ঘটনা নিয়ে সংর্ষের সূত্রপাত হয়েছে।

এদিকে চন্ডীবের গ্রামের নবী হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা আমাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগসহ বাড়ি-ঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। এতে তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এ ছাড়াও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান, ভৈরব থানার ওসি মো. গোলাম মোস্তফা।

এম জি