বিদেশি ঋণের ছাড় বাড়লেও কমেছে পরিশোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২২-০৮-৩১ ০৯:১০:১৩


দেশে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য প্রতিশ্রুতির বিপরীতে বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থা ও দেশগুলোর অর্থ ছাড়ের পরিমাণ বেড়েছে। গত অর্থবছরের একই মাসের তুলনায় এটি বেড়েছে ৪৮ শতাংশ। যদিও ৩৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণের এক টাকাও খরচ করতে পারেনি। এদিকে বৈদেশিক ঋণ ছাড় বাড়লেও কমেছে ঋণ পরিশোধ।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এ বিষয়ে ইআরডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম মাসে বাংলাদেশের জন্য ৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলারের ঋণ-সহায়তা ছাড় করেছে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশগুলো। এর মধ্যে অনুদান হিসেবে এসেছে ৯১ লাখ ২০ হাজার ডলার। আর ৪৭ কোটি ৮৯ লাখ ডলার ছাড় করা হয়েছে ঋণ হিসেবে।

জুলাইয়ে ছাড় হওয়া এই বৈদেশিক ঋণ গত অর্থবছরের একই মাসের তুলনায় ১৫ কোটি ৯৩ লাখ ডলার বা ৪৮ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের জুলাই মাসে ছাড় হয়েছিল ৩২ কোটি ৮৬ লাখ ডলার।

গত অর্থবছরের বারো মাসে রেকর্ড এক হাজার কোটি ডলার বা ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড় হয়েছিল। অবশ্য ওই অঙ্কে মধ্যে কোভিড-১৯ মহামারী থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য হওয়া বাজেট সহায়তার অর্থও ছিল।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ঋণ ও অনুদান মিলে মোট ৯৩ হাজার কোটি টাকা বা প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার পাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রতি মাসে ৮৩ কোটি ডলার করে ছাড় হতে হবে। সে হিসাবে জুলাই মাসে অর্থছাড়ে বেশ পিছিয়ে আছে।

এনজে