ভারতীয় আরও ২ কোম্পানি আসছে জুয়েলারি খাতে বিনিয়োগে

নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০২২-০৯-০২ ২০:৫১:০৯


সম্প্রতি ভারতের বিখ্যাত জুয়েলারি ব্র্যান্ড মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশে। নারায়ণগঞ্জে বিশ্বমানের কারখানাও করছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির এ সিদ্ধান্তের মাসখানেক না যেতেই দেশটির আরও দুই কোম্পানি যোগ হচ্ছে একই খাতে বিনিয়োগের তালিকায়। এরই মধ্যে আগ্রহপত্রে সইও হয়েছে। এই দুই কোম্পানি ছাড়া কাগজ, অটোমোবাইলসহ আরও আটটি ভারতীয় কোম্পানি আগ্রহপত্রে সই করেছে। সব মিলিয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৮শ কোটি টাকা।

ভারতের বাণিজ্য সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) ও ভারত-বাংলাদেশের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) যৌথ সম্মেলনে কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগের এ আগ্রহ দেখায়। গত ২৩ আগস্ট ভারতের রাজস্থানে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

পরে রাজস্থানের দারকা জেমস লিমিটেড ও নিরাজ জুয়েলার্স এরই মধ্যে বাংলাদেশের নাজাবি গ্রুপ ও মান্না সরদার প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে আগ্রহপত্র (ইওআই) সই করেছে বলে জানিয়েছে আইবিসিসিআই সূত্র।

এই দুই কোম্পানি ছাড়াও ভারতীয় আটটি কোম্পানি ৯টি আগ্রহপত্রে (ইওআই) স্বাক্ষর করেছে। সব মিলিয়ে জুয়েলারি, অটোমোবাইল, তিন চাকার বাহন, সরিষার তেল, কাগজ, ইলেকট্রনিকস খাতে প্রায় ৮শ কোটি টাকার বিনিয়োগ করবেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। তবে এ বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে কয়েক বছরে আসবে। রোববার (২৮ আগস্ট) ভারত সফর থেকে ফিরে সম্মেলনের সফলতা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম।

এর আগে গত ২৮ জুলাই নিটল নিলয় গ্রুপের হাত ধরে বাংলাদেশে আসে ভারতের বিখ্যাত জুয়েলারি ব্র্যান্ড মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড। বিশ্বমানের জুয়েলারি ফ্যাক্টরি স্থাপন করতে নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা যায়, দেশে জুয়েলারি কারখানা স্থাপন করতে ভারতের নিরাজ জুয়েলার্স ও দারকা জেমস লিমিটেড যৌথভাবে বাংলাদেশের নাজাবি গ্রুপের সঙ্গে কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী। আবার নিরাজ জুয়েলার্স দেশের মান্না সরদার প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গেও যৌথভাবে ব্যবসা করতে চায়। যদিও কারখানা কিংবা বিনিয়োগ সম্পর্কে এখনই কিছু জানাতে চাচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে নাজাবি গ্রুপের চেয়ারম্যান নাসিমা জাহান বিজলী (বিনতী) বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এখনই কিছু জানাতে চাচ্ছি না। একটু গুছিয়ে নেই, তারপর সব জানাবো। আমরা এখনো মার্কেট স্ট্যাডি করছি। যে সেগমেন্ট নিয়ে কাজ করছি ওইটাতে যারা কাজ করছে, তাদের কী ক্যাপাসিটি আছে কিংবা আমরা কীভাবে কাজ করতে পারি সেটা নিয়ে মার্কেট স্ট্যাডি করবো। সবকিছু প্রাথমিক পর্যায়ে।’

এনজে