নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় শিশু দিবস পালন
প্রকাশ: ২০১৬-০৩-১৭ ১৭:৫৬:০৬
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭ তম জন্মবার্ষিকি ও জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কে গার্ড অব ওনার প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয় ।পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ,কেক কাটা, জাতীয় সংগীত পরিবেশন ছাত্রলীগের ওয়েব সাইট উদ্বোধন, ১৪ই মার্চ অনুষ্ঠিত আবৃত্তি,দেশের গান ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয় ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,বাংলাদেশ নেতা উৎপাদনের দেশ,কর্মী তৈরীর দেশ নয়। তিনি আরো বলেন, ‘যতদিন চন্দ্র-সূর্য থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু থাকবে। ইতিহাসের সেই মহানায়কের নাম কখনই কেউ মুছে দিতে পারবে না।’ ‘রাজনীতি করলেই ক্ষমতা আসে না, তার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করতে হয়। আর জনসেবা করতে হলে ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। আমার যেটুকু ক্ষমতা রয়েছে তা আমি জনসেবায় প্রয়োগ করি। আমি ভাষণ দিতে চাই না, কাজ করতে চাই।
যার ভাষণ কর্তৃত্ব করেছিল তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু আর যার ভাষণ নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে তিনি হলেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভাষণ দেওয়ার সময়টুকু আমি রাস্তায় কাজ করে জনসেবা করতে চাই। আর যারা ভাষণ দেবেন তারা পড়া-লেখা করে ভাষণ দেবেন। পড়া-লেখা না করলে রাজনীতিতে আসার দরকার নেই।
রাজনীতি যেমন শিল্প তেমনি ভাষণও একটি শিল্প। ভাষণ কখনও মানুষকে হাসাবে, কখনও কাঁদাবে, কখনও অনুপ্রেরণা যোগাবে, শক্তি যোগাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল হতে হবে তবে আচার- ব্যবহারের দিক থেকে এ্যানালগ হতে হবে। যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাও ঠিক একইভাবে তা অনুসরন করে চলেছেন। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিচ্ছেন দুইটি অস্ত্র সততা ও সাহসের মাধ্যমে। সাড়ে আটাশ হাজার কোটি টাকা নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতু। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়কে দুইটি বাস প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম মন্ত্রীকে বেশি সময় দেওয়ার লক্ষ্যে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেই তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গাহি সাম্যের গান’ মঞ্চে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সহকারী অধ্যাপক সিদ্ধার্থ দে,‘ বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন’ সম্পর্কে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মো.নজরুল ইসলাম। আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর এ এম এম শামসুর রহমান। এছাড়াও আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. সুব্রত কুমার দে এবং কলা অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুব হোসেন।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রগতিশীল ছাত্র নেতা ছাব্বির আহমেদ এবং আপেল মাহমুদ। আলোচনায় বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ ও অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন,সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় মুখার্জী ও প্রভাষক নুসরাত তানিয়া ।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













