গুলিতে নয়, নিজ দলের ইটের আঘাতে শাওনের মৃত্যু: পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০২২-০৯-২৮ ১৬:৩৪:১১


মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান আল মামুন বলেছেন, গুলিতে নয়, ইটের আঘাতে মৃত্যু হয়েছে যুবদল নেতা শাওনের। সুরতহাল, ভিসেরা রিপোর্ট ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর বিএনপি নেতাকর্মীদের ইটপাটকেল নিক্ষেপের একপর্যায়ে তাদেরই এক যুবকের ইট শহিদুল ইসলাম শাওনের মাথায় আঘাত করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে তার দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ব্রিফিং করার সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পুলিশ সুপার মাহফুজ আল মামুন বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে শাওনের মৃতদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে হস্তান্তর করে। সুরতহাল ও ভিসেরা রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেওয়া ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মাথায় আঘাতজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে মর্মে মতামত প্রদান করেন ফরেনসিক বিভাগ। ওই রিপোর্টে মাথার পেছনে আঘাত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্দুকের গুলির কোনো আঘাত নেই।

নিহত শহিদুল ইসলাম শাওন সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার মুরমা এলাকার সোয়াব আলী ভূঁইয়ার বড় ছেলে। তিনি ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের নেতা ছিলেন। তার এক সন্তান রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ মুক্তাপুর এলাকায় বিএনপি ও পুলিশে মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিকসহ অর্ধ শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়। গুরুতর আহত শাওনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানার দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এম জি