সৌদিতে শ্রমিক পাঠাতে জটিলতা কাটছে না
নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০২২-১০-১৯ ০৯:১৫:১০
বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা নিচ্ছে না দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস। গতকাল মঙ্গলবার রিক্রুটিং এজেন্সির কাছ থেকে পাসপোর্ট নিয়েও ফেরত দিয়েছে দূতাবাস। এজেন্সি প্রতিনিধিদের দূতাবাসে প্রবেশ অনুমতির কার্ডও ফেরত নিয়েছে তারা।
এ বিষয়ে দূতাবাস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২৪ অক্টোবর থেকে বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও পাসপোর্ট জমা নেওয়া হবে। ৩১ অক্টোবর থেকে ‘তাসির সেন্টারের’ মাধ্যমে এসব কাজ চলবে।
রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সংগঠন বায়রা সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাশার আগের দু’দিন দাবি করেছিলেন, শিগগির সৌদি দূতাবাস পাসপোর্ট জমা নেওয়া শুরু করবে। সংকট যা ছিল, তা কেটে গেছে। কিন্তু গতকাল দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তির পর তিনি সমকালকে জানান, বিষয়গুলো স্পষ্ট নয়। দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানাবেন। তবে তৃতীয় পক্ষের কাছে পাসপোর্ট দেবে না কোনো এজেন্সি।
বায়রার নির্দেশে গতকালও সৌদি দূতাবাসে যান ১০০১ থেকে ১৫০০ নম্বরের লাইসেন্সধারী এজেন্সি প্রতিনিধিরা। মুন লাইট এজেন্সির মালিক আবদুল আজিজ জানিয়েছেন, ৩০টি পাসপোর্ট জমা দেন তিনি। কিন্তু দুপুরে পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এজেন্সি প্রতিনিধির দূতাবাসে প্রবেশের অনুমতিপত্রও নিয়ে নিয়েছে তারা। এর মেয়াদ ছিল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। কী হচ্ছে- বুঝতে পারছেন না আবদুল আজিজ।
আরেক এজেন্সি হলি ট্রেডের মালিক হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি দূতাবাসেই প্রবেশ করতে পারেননি প্রবেশানুমতির মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে। অথচ দূতাবাসে নিবন্ধিত এজেন্সি মালিকরা অনুমতিপত্র ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন। হেলাল উদ্দিন নিজেও গিয়েছিলেন, কিন্তু পাসপোর্ট জমা দিতে পারেননি।
বর্তমানে সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চাকরি নিয়ে বিদেশে যাওয়া ৮ লাখ ৭৪ হাজার ৭৩৯ বাংলাদেশি কর্মীর ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৫৩ জনের গন্তব্য ছিল সৌদি আরব।
এনজে






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














