পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২২-১২-৩০ ০৯:৪৭:৫৯
প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আজ শুক্রবার। ১৩ বছর পর হতে যাওয়া এ পরীক্ষায় অংশ নিতে যাচ্ছে প্রায় ৬ লাখ পরীক্ষার্থী। এবার প্রচলিত খাতার বদলে বুকলেটে অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা।
সারা দেশ থেকে বৃত্তি পাবে সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২২-এর কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এর আগে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রশ্নের কাঠামো ও মানবণ্টন প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত ও প্রাথমিক বিজ্ঞান—এ চারটি বিষয়ে ২৫ করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় শিক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্র-সংবলিত বুকলেট সরবরাহ করা হবে। বুকলেটের নির্ধারিত জায়গায় টিকচিহ্ন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে লিখে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। পৃথকভাবে উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে না।
এতে বলা হয়, প্রতি বিষয়ে ১৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ নম্বর। প্রতি প্রশ্নের চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তরটিতে টিকচিহ্ন দিতে হবে। সঠিক উত্তর নির্বাচনে একাধিক অপশনে টিকচিহ্ন দেওয়া যাবে না। একাধিক অপশনে টিকচিহ্ন দেওয়া হলে নির্ধারিত নম্বর দেওয়া হবে না। আরও বলা হয়, বাংলা বিষয়ে দুটি অনুচ্ছেদ দেওয়া থাকবে। দুটি অনুচ্ছেদ থেকে চারটি করে আটটি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে এবং অপর সাতটি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন পুরো বই থেকে থাকবে। একটি রচনামূলক প্রশ্ন থাকবে, যার মান ১০ নম্বর। গণিত বিষয়ে পুরো বই থেকে ১৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। দুটি সমস্যা সমাধানমূলক প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটির মান ৫ নম্বর করে মোট ১০ নম্বর। ইংরেজি বিষয়ে পুরো বই থেকে ১৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ লিখতে হবে, যার মান ১০ নম্বর। প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ে পুরো বই থেকে ১৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। দুটি রচনামূলক প্রশ্ন থাকবে, প্রতিটির মান ৫ নম্বর করে মোট ১০ নম্বর।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, বৃত্তি পরীক্ষার ফল দিতে একটু সময় লাগবে। আমরা পরিকল্পনা করছি। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দ্রুতই সেটি জানানো হবে।
এদিকে, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষা দিলেও বঞ্চিত হচ্ছে মাদ্রাসার ইবতেদায়ি শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহম্মদ বলেন, আমরা শুধু স্কুল-কলেজের বৃত্তির বিষয়টি দেখি। আর মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বৃত্তির বিষয়ে আমরা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে আলাদা কোনো অনুরোধ পাইনি।
এম জি






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













