‘নিজের ইচ্ছা মতো ভোট দিতে পেরেছি’
সানবিডি২৪ প্রকাশ: ২০২৩-০৬-১২ ১০:৫২:৪৭
খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইভিএমে ভোট দেওয়ার পর দু’ধরনের প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা। ভোট দিয়ে অনেকে খুশি মনে বেরিয়েছেন। তারা বলেছেন, এ পদ্ধতিতে ভোট দেওয়া অনেক সহজ।
ইভিএমে দ্রুত ভোট দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাবিনা ইয়াসমিন নামের ৭০ ঊর্ধ্ব ভোটার। সোমবার (১২ জুন) মহানগরীর ২২নং ওয়ার্ডের সাউথ সেন্ট্রাল রোডে পাইওনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন সাবিনা।
তিনি বলেন, ইভিএমে ভোট দেওয়া অনেক সহজ। কোনো কষ্ট হয়নি। নিজের ইচ্ছা মতো ভোট দিতে পেরেছি।
লাবনী নামের নতুন এক ভোটার বলেন, ইভিএমে ভোট দিতে সময় অনেক কম লাগে। আর মেশিনে ভোট হওয়ায় কোনো কষ্ট হয়নি।
তবে মহানগরীর সিটি কলেজ ও বিকে ইনস্টিটিউট কেন্দ্রের কয়েকজন ভোটার ইভিএমে ভোট দিতে অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন।
কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এবারের কেসিসি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন পাঁচজন। তারা হলেন, আওয়ামী লীগের তালুকদার আব্দুল খালেক (নৌকা), জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুল ইসলাম মধু (লাঙল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল আউয়াল (হাতপাখা), স্বতন্ত্রপ্রার্থী এস এম শফিকুর রহমান (দেওয়াল ঘড়ি) ও জাকের পার্টির এস এম সাব্বির হোসেন (গোলাপ ফুল)।
৩১টি ওয়ার্ডের ২৮৯টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৩২টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ চলছে। ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩৬ জন ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে নগরীর ১৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এবারের সিটি নির্বাচনে ৩১টি ওয়ার্ডে ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এরমধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন ও পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ জন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে টহল দিচ্ছে বিজিবির ১১ প্লাটুন সদস্য। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র ও নগরীর নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৮ হাজার ৩০০ সদস্য। নির্বাচনী মাঠে রয়েছে ৪৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
ভোট কেন্দ্রগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে ২ হাজার ৩০০টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। ইভিএম মেশিন প্রয়োজন হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার। পর্যবেক্ষক রয়েছেন বেসরকারি দুটি সংস্থার ২০ জন ও নির্বাচন কমিশনের ১০ জন।
সানবিডি/এসকেএস






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













