লোহাগড়ায় নির্বাচন পূর্বসহিংসতায় নিহত ১, গুলিবিদ্ধ ১০

প্রকাশ: ২০১৬-০৬-০২ ১৯:৫১:৫৮


norail_85299লোহাগড়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় আ’লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী খান জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকদের সাথে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হেমায়েত হোসেন হিমুর সমর্থকদের উভয় পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত নিশান দিঘলিয়া পূর্বপাড় গ্রামের সিদ্দিক মুন্সীর ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী বি এম হিমায়েত হোসেনের সমর্থক। গুলিবিদ্ধ হয়েছে ১০জন।

বৃহস্পতিবার ( ০২ জুন ) দুপুর ১টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের তেলকাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে বিদ্রোহী প্রার্থী খান জাহাঙ্গীর আলম আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে হিমায়েত হোসেনের ১০ সমর্থক গুলিবিদ্ধ হন। তারা হলেন আজমল মোল্লা (৩০), ইমান শিকদার (২০), তোফায়েল শেখ (৩০), শাহ আলম শিকদার (২২), মামুন সরদার (৩৫), জামাল বিশ্বাস (৩৫), সুমন (৩৫), শামীম মোল্লা (২৫), শেখ শহীদুল্লাহ (৫০) ও ফুরাদ শিকদার (২০)। তাঁদের প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, আওয়ামী লীগ প্রার্থী হেমায়েত হোসেন হিমুর সমর্থকরা ২০টি মটরসাইকেল যোগে তেলকাড়া গ্রামে ডুকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী (আ’লীগ বিদ্রোহী) খান জাহাঙ্গীর আলমের নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করে এবং জাহাঙ্গীরকে লক্ষ্য করে হামলা করে। পরে নৌকার সমর্থকরা নিজেরাই নিজেদের অফিস ভাংচুর করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী খান জাহাঙ্গীর আলমের উপর হামলা করতে দেখে কালিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীমুর রহমান ওছি খাঁ উত্তেজিত হয়ে তাৎক্ষনিক গুলি চালায়। এর পর পরই উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়, বোমা-ককটেল ছোঁড়াছুড়ি শুরু হয়। এতে গুলিবিদ্ধ নিশান মুন্সীকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।

লোহাগড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা বিকেলে বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়নন্ত্রণ করা হচ্ছে।

সানবিডি/ঢাকা/সিহাব/আহো