বঙ্গমাতার ৯৩তম জন্মবার্ষিকী আজ
আপডেট: ২০২৩-০৮-০৮ ১০:১৯:১৩
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী আজ। সাধারণ থেকে বঙ্গবন্ধু যে স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক হয়েছিলেন- তা সম্ভব হয়েছে তার জীবনে কিছু মানুষের সহযোগিতায়। এক্ষেত্রে সবার আগে উচ্চারিত হয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নাম। সহধর্মিনী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিটি সংগ্রামে তার পাশে থেকে জুগিয়েছেন নিরন্তর সাহস ও অনুপ্রেরণা। পাশাপাশি কিছু দারুণ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তিনি সুযোগ্য পরামর্শও দিয়েছিলেন শেখ মুজিবকে।
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক ও মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। ১ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। উত্তরাধিকার সূত্রেই বেগম ফজিলাতুন্নেছা তৎকালীন সময়ে সম্পত্তি লাভ করেছিলেন। তবে সেই সম্পত্তি কখনই নিজের ভোগ বিলাসে ব্যয় করেনি। পৈতৃক সম্পত্তি থেকে যে অর্থ আসতো, তা তিনি জমিয়ে রাখতেন। নিজের সাধ-আহ্লাদ পূরণে খরচ না করে তুলে দিতেন শেখ মুজিবের হাতে।
বঙ্গবন্ধু তার জীবনের লম্বা একটা সময় পার করেছেন কারাগারে। তার অবর্তমানে মামলা পরিচালনার ব্যবস্থা করা, দলকে সংগঠিত রাখা ও আন্দোলন পরিচালনা’সহ প্রতিটি কাজে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বেগম মুজিব।
রাষ্ট্রপ্রধানের স্ত্রী হয়েও অনন্য ছিলেন বেগম মুজিব। যার প্রমাণ পাওয়া যায় জাতির পিতার লেখনীতে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, তার জীবনের বৃহৎ অবলম্বন দু’টি; প্রথমটি আত্মবিশ্বাস আর দ্বিতীয়টি স্ত্রী রেণু।
বঙ্গমাতা কর্মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন একটি সংগ্রামমুখর জীবনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যা কোটি জীবনের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নের সাথে দ্বিধাহীনভাবে যুক্ত করেছিলে নিপীড়ন মোকাবেলা করবার দৃপ্ত প্রতিজ্ঞা।
এম জি






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














