পৃথিবীর কোথাও ভিসানীতি যায় না, শুধু কী বাংলাদেশকে পেয়ে বসেছেন?
আপডেট: ২০২৩-০৮-২২ ২২:০৩:০৬
বিএনপির ছড়ানো গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মন খারাপ করবেন না। কে কি দিল এসব নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা মাথা ঘামান না। বিএনপি গুজব ছড়াচ্ছে, তাতে কান দেবেন না।
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ঢাকাসহ আশপাশের সাংগঠনিক জেলা নেতাকর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ দেশে-বিদেশে বন্ধুহীন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা বন্ধুহীন নই। আমরা দেশেও বন্ধুহীন নই, বিদেশেও না। পৃথিবীর কোথাও ভিসানীতি যায় না। শুধু কী বাংলাদেশকে পেয়ে বসেছেন?
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের চেতনায় বাংলাদেশ, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ।
শুধু একটি নির্বাচনে নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে লড়াই করে বাঁচাতে হবে। বিএনপির অত্যাচারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঘরে থাকতে পারেনি। তাদের নিপীড়নে আওয়ামী লীগের চোখের পানি শুকিয়ে গিয়েছিল।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার লিগ্যাসি, তার কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অর্থের মুক্তির সংগ্রামের লিগ্যাসি,বাংলাদেশে এই দুটি লিগ্যাসি টিকে আছে দাপটের সঙ্গে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন পতাকা উড়বে, ততদিন এ দেশে দুটি মানুষের মৃত্যু হবে না। একজন বঙ্গবন্ধু আরেকজন শেখ হাসিনা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী কঠিন ঐক্য নিয়ে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসী, সাম্প্রদায়িকতাকে রুখে দেবে। এ দেশ পাকিস্তানের বন্ধুদের জন্য নয়, এ দেশ সাম্প্রদায়িকদের জন্য নয়, এ দেশ অর্থ পাচারকারীদের নয়। মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া নেতা তারেককে বাংলাদেশের জনগণ নেতা বানাবে না।
তিনি বলেন, আজকে বিএনপির মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নাকি তাদের ২২ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করেছি। ফখরুল সাহেব, আপনাদের ২২ জন আর আমাদের ২২ হাজার নেতাকর্মী হত্যা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আপনারা গণতন্ত্রের কথা বলেন, সেই দিন কোথায় ছিল গণতন্ত্র? ২০০১ সালে অস্বাভাবিক সরকার যখন গদিতে বসেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী উপর অত্যাচার শুরু করেছিল। ফখরুল সাহেব, আপনি এখন বলেন, সরকারি দল নাটক সাজিয়েছে। তখন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিল, উনাকে কে মারতে যাবে? উনি ভ্যানেটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন। নাটক তো আপনারা করেছিল। জজ মিয়ার নাটক। কাঁদতে কাঁদতে আমাদের চোখের পানি শেষ হয়েছে গেছে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, উপপ্রচার সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম প্রমুখ।
এএ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














