ঈদের কেনা-কাটা হোক অনলাইনে
আপডেট: ২০১৬-০৬-২২ ১৭:৩৪:১৬
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি আর সে খুশি অসম্পূর্ন থেকে যায় নতুন পোষাক, গহনা, কসমেকি ছাড়া। ক্রেতাদের সুবিধা ও অনলাইন মার্কেটকে সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে টিএমএস ইভেন্টের তানিয়া ইসলাম ও জিসান মিলে রাজধানীর ধানমন্ডির দৃক গ্যালারী আয়োজন করেছে অনলাইন শপিং মেলা। মেলা গত ১১ জুন থেকে শুরু হয়ে চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। এখান থেকে ক্রেতারা ঘরে বসেই করতে পারেন ঈদের কেনা-কাটা।
মেলার প্রথম পর্ব ১১ জুন থেকে ২০ জুন, দ্বিতীয় পর্ব ২১ থেকে ২ জুলাই এবং তৃতীয় পর্ব ৩ জুলাই থেকে চাঁদ রাত পর্যন্ত। তিন পর্বের মেলায় মোট ১৫০টি স্টলটি থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
স্টলগুলোতে থাকছে বুটিকস হাউজ, দেশিয় শাড়ি, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি সালোয়ার কামিজ, কুর্তি, লন, হিজাব, দেশি-বিদেশি কসমেটিকস, জুয়েলারি, দেশি হস্তশিল্প।
অনলাইন শপিং মেলার আয়োজক তানিয়া ইসলাম বলেন, ‘এবার ঈদে দেশীয় অনলাইন শপগুলো এবং নারী উদ্যোক্তারা দেশীয় ফ্যাশন ও বাইরের কিছু পণ্য নিয়ে এসেছেন। আশা করছি, আমরা এবার মেলাতে ভালো সাড়া পাব।’
তিনি বলেন, এই মেলাটি করার প্রধান কারণ হল অনলাইন মেলাকে সম্প্রসান করা। সবাইকে অনলাইন শপিং-এ আগ্রহী করে তোলা। আমাদের মেলায় যেভাবে তারা সরাসরি এসে কিনতে পারবেন, তেমনি কেউ চাইলে অনলাইনে আর্ডার করেও কিনতে পারবেন।
তিনি বলেন, আমাদের শহরে যেভা
বে যানজট লেগে থাকে তাতে ঈদের কেনা-কাটা করতে গেলে সারাদিন রাস্তায় কেটে যায়। যদি ক্রেতার অনলাইনে কেনা-কাটা করেন তাহলে তাদের অনেক সময় সেভ হবে, যা তারা অন্য কাজে বয় করতে পারেন।
তিনি বলেন, মেলার শেষ পর্বটা সাজানো হয়েছে মেহেদী উৎসব দিয়ে। শেষ পর্বে মেহিদী উৎসব হলেও থাকবে সব ধরনের কেনা-কাটার সুযোগ।
মেলায় অংশ গ্রহনকারী অনলাইন মার্কেক ইরা মার্টের পরিচালক বাধঁন বলেন, মেলায় বেচা-কিনা মোটামুটি ভাল, তবে আমরা এখানে বেচা-কিনার চেয়ে ব্রান্ডিংকে বেশী প্রধান্য দিচ্ছি।
তিনি বলেন, আমরা এখানে নিজের মার্কেটিং করতে পারলে পরবর্তীতে অনলাইনের মাধ্যমে ভাল গ্রাহক পাব। অনেকেই মেলায় আসেন ঘুরেন, দেখেন, পছন্দ হলে কিনেন, না হলে চলে যান।
নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক এক প্রতিষ্ঠান বলেন, আয়োজকরা যদি ভাল ভাবে মেলঅর প্রচার প্রচারনা চালাতেন তাহলে মেলায় আরো জমে উঠত। মেলার বেচা-কিনাও ভাল হত। এখন চালান নিয়ে ঘরে ফিরতে পারি কিনা বলতে পারি না।
কথা হয় রামপুরা থেকে মেলায় আসা শহিদুল ইসলামের সাথে তিনি বলেন, তিনি বলেন মেলায় আসলাম এক ছাদের নিচে সব ধরনে পোষাক, কসমেটিক ও জুয়েলারি পাবো এ জন্যে। যাকে বলে একের মধ্যে সব।
তিনি বলেন, তুলনামূলকভাবে এখানে সব পন্যের দাম একটু বেশি। দাম বেশি হলে বাজেটের বাইরে চলে যায় ক্রয় ক্ষমতা। স্বাদ আর স্বাধ্যের সমন্বয় না হলে কিছু কেনা যায় না।
তিনি বলেন, মেলায় আসলাম ঘুরলাম ভাল লাগল। এভাবে প্রতি বছর মেলা হলে ভাল। আমরা এক ছাদের নিচে সব ধরনের প্রোডাক্ট পাব। অনলাইন মার্কেটিং এখন আমাদের দেশে পপুলার না। তাই অনলাইন মার্কেট বা ই-কমার্সকে আরো সম্প্রসারন করার জন্য সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে।
মেলায় অংশ গ্রহনকারী ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলো হল:- ইরা মার্ট, হিজাব বুক, নাটাই ঘর, বিএম স্টোর, শাম্মী’স ফ্যাশন মার্ট, লিয়ানা ফ্যাশন, জারা ফ্যাশন হাউজ, এমরিন ফ্যাশন, ডিসাইর ফ্যাশন, ডিসাইর ফ্যাশন প্যালেস, কারনেসিয়া, প্রেট্টি কান্ডি ফ্লোস, মোহাম্মাদিয়া লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার লি, ঢাকা মেট্রো ফ্যাশন, হাউজ অব ফ্রোফ্রো, আরকে বুটিক, লুবানা, এভা ফ্যাশন হাউজ এবং আরএমএফ স্কয়ার।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














