এমডি সঙ্কটে স্থবির রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
প্রকাশ: ২০১৬-০৭-১৭ ১৯:১৮:৩৭
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংকের (অপসারিত) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডিদের) মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ১ মাস পার হলেও এখনো কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। এতে এ তিনটি ব্যাংকের কাজকর্মে স্থবিরতা চলে এসেছে।
ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৪ জুন সোনালী ব্যাংকের তৎকালীন এমডি প্রদীপ কুমার দত্ত সর্বশেষ অফিস করে বিদায় নেন। রূপালী ব্যাংকের এমডি এম ফরিদ উদ্দিন চলতি মাসের ৩ তারিখে সর্বশেষ অফিস করেছেন। আর দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণীত হওয়ায় গত ২৯ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক অপসারণ করে অগ্রণী ব্যাংকের এমডি সৈয়দ আব্দুল হামিদকে। তার পর থেকে এ তিনটি ব্যাংকের এমডিদের পদটি খালি পড়ে আছে।
পদগুলো খালি থাকায় ব্যাংকগুলোর ব্যাংকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ফাইল আটকে পড়া, বড় ঋণ অনুমোদন, বিতরণসহ স্বাভাবিক কাজকর্মে বিঘ্ন ঘটছে।
শুধু এমডি নয়, ব্যাংকগুলোতে যত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদ আছে তারও কিছু ফাঁকা।
সোনালী ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, পাঁচজন ডিএমডির পদ থাকলেও সেখানে এখন আছে মাত্র তিনজন। এ তিনজনের একজন আবার ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে দায়িত্বরত। বাকি দুটি পদ খালি পড়ে আছে। রূপালী ব্যাংকের দুটি ডিএমডির পদ থাকলেও সেখানে আছেন একজন। যিনিও ব্যাংকটির ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে কাজ করছেন। আর অগ্রণী ব্যাংকের এমডিকে আপসারণর কারার দিনই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গ্রেপ্তার করে ডিএমডি মিজানুর রহমান খানকে। অবসর ও অপসারণের পর ডিএমডির চারটি পদ থাকলেও সেখানে তিনজন ডিএমডি আছেন। একজনকে আবার ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে কাজ করতে হচ্ছে। তবে ভারপ্রাপ্ত এমডিরা ব্যাংকের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন না। তারা এমডি হিসেবে যেটুকু না করলেই নয়, শুধু সে কাজগুলোই করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি দিদার মো. আব্দুর রব বলেন, ‘এমডির রুটিন ওয়ার্ক, ঋণের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়াসহ সামান্য কিছু কাজ আমি করতে পারি। এ পদটার সঙ্গে এমন অনেক বড় বড় কাজ আছে যেসব কাজগুলো স্থবির হয়ে আছে। এত বড় একটা পদ খালি মানে পুরো ব্যাংকের কাজেই স্থবিরতা, সেটাই হচ্ছে। আমাদের দুজন ডিএমডির পদও খালি হয়ে আছে। আসলে কোনো পদই খালি থাকা উচিত নয়।’






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














