ট্যানারি না সরালে প্রতিদিন ১০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশ: ২০১৬-০৭-১৮ ১৫:২১:৫৮


tanaryপরিবেশ দূষণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি না সরানো পর্যন্ত মালিকদের রোজ ১০ হাজার টাকা করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে বলেছেন আপিল বিভাগ।

আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ট্যানারি মালিকদের করা এক আবেদনের নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, পরিবেশের ক্ষতিপূরণ হিসেবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ট্যানারি মালিকদের ১০ হাজার টাকা করে জমা দিতে হবে। এর মধ্যে অর্ধেক টাকা বাংলাদেশ ন্যাশনাল লিভার ফাউন্ডেশনকে জমা দিতে বলা হয়েছে। বাকি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।

এর আগে সাভারে না সরানো পর্যন্ত হাইকোর্ট ১৫৪টি ট্যানারি শিল্পকারখানার মালিকদের প্রতিদিন ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ট্যানারি মালিকদের সংগঠন আপিল বিভাগে আপিল করেন।

হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প সরিয়ে নিতে ২০০১ সালে হাইকোর্ট রায় দেন। এরপর কয়েক দফা এই সময়সীমা বাড়ানো হয়। এরপরও হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি না সরায় আদালত অবমাননার অভিযোগ আনে এইচআরপিবি। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালে হাইকোর্ট আদালত অবমাননার রুল দিয়ে শিল্পসচিবের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। শিল্পসচিব ব্যাখ্যায় বলেন, ১০টি প্রতিষ্ঠান বারবার তাগিদ সত্ত্বেও তাদের কারখানা সরাতে পদক্ষেপ নেয়নি।

এরপর ওই ১০ কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দিয়ে তাঁদের তলব করা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজন ট্যানারি মালিক ১১ এপ্রিল হাজারীবাগে কারখানা বন্ধ এবং সাভারে সরানোর পদক্ষেপ জানিয়ে হলফনামা দিলে আদালত তাঁদের অবমাননার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন। তিনজন মালিক আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়। বাকি চারজন মালিকের মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। একজন বিদেশে থাকায় তাঁকে ৩ মে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

সানবিডি/ঢাকা/এসএস