রাজস্ব বাড়াতে অটোমেশনের বিকল্প নেই: ডিসিসিআই সভাপতি

সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৪-০১-১৩ ২১:৫৭:১৯


দেশের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধিতে অটোমেশনের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আশরাফ আহমেদ। এতে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের হয়রানি কমবে।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ‘আয়কর আইন ২০২৩: করপোরেট করের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক কর্মশালায় এ কথা বলেন ডিসিসিআই সভাপতি।

তিনি বলেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর অনুপাতে করদাতার হার অত্যন্ত কম, যেখানে ১৭ কোটি মানুষের এ দেশে মাত্র ৪০ লাখ মানুষ কর প্রদান করে থাকেন, যা মোটেও কাম্য নয় এবং কর প্রদানের এ নিম্ন হার বিদ্যমান করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে থাকে। এ ছাড়াও করদাতাদের এ স্বল্পহার দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাকে প্রভাবিত করছে।

দেশের বিদ্যমান রাজস্ব প্রদান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনা সম্ভব হলে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের হয়রানি কমবে বলেও জানান আশরাফ আহমেদ। তিনি বলেন, সম্ভাবনাময় নতুন করদাতাদের এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে করজাল আরও সম্প্রসারিত হবে।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘আয়কর আইন-২০২৩’-এর ১৬৩(২)(খ) ধারা অনুযায়ী কর্তন বা সংগৃহীত কর উৎসে করকে ন্যূনতম কর হিসেবে বিবেচনার বিধান রয়ে গেছে, যা প্রকৃতপক্ষে করপোরেট করের হারকে বৃদ্ধি করছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জয়েন্ট কমিশনার (কর অঞ্চল-১৫) ওয়াকিল আহমেদ জানান, ২০২৩ সালে প্রায় ৪ লাখের বেশি করদাতা ই-টিন সার্ভিস ব্যবহারের মাধ্যমে কর প্রদান করেন, বিগত বছরে এর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার। অটোমেশন প্রক্রিয়া করবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এনবিআরের জয়েন্ট কমিশনার (কর অঞ্চল-৪) মুরাদ আহমেদ ব্যবসায়ীদের ই-টিডিএস ব্যবস্থা আরও বেশি হারে ব্যবহারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআইয়ের কাস্টমস, ভ্যাট অ্যান্ড ট্যাক্সেশন স্ট্যান্ডিং কমিটির উপদেষ্টা স্নেহাশীষ বড়ুয়া, এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (ট্যাক্স এডুকেশন) বাপন চন্দ্র দাস প্রমুখ।

এএ