আর্থিক খাত দুর্নীতি মুক্ত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অর্থ প্রতিমন্ত্রী

সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৪-০৪-০৭ ২১:৩৭:৩৮


অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান বলেছেন, আর্থিক খাত দুর্নীতি মুক্ত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। ডিজিটালাইজেশন করার উদ্দেশ্যই হচ্ছে সব ক্ষেত্রে দুর্নীতিটাকে কমিয়ে আনা।

রোববার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ইআরএফ মিলনায়তনে ‘মাইক্রো ইকোনমি স্টাবিলিটি অ্যান্ড নেক্সট বাজেট’ শীর্ষক আলোচনায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থনীতি-বিষয়ক রিপোর্টারদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) সভাপতি মোহাম্মদ রেফায়েত উল্লাহ মীরধার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের অনেক কিছুই ডিজিটালাইজ হয়েছে, আরও হবে। এখানে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। দুর্নীতি শতভাগ দূর করে ফেলবো সেটা বলা যাবে না। তবে এটুকু বলতে পারি আর্থিক খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্নীতি কমবে।

তিনি বলেন, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সেটা হয়েছে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। এটা একটা বিরাট পরিবর্তন। এ পরিবর্তনের কারণে অনেক কিছুই পরিবর্তিত হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, বাজেট প্রণয়নে সবার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় তা না হলে এত ভর্তুকি কেন দেওয়া হয়। দেশের অর্থনীতির জন্য প্রাইভেট সেক্টর খুবই গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিবছরের বাজেটে সেটা প্রতিয়মান হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির গতি বাড়াতে রপ্তানি বৃদ্ধি ও নতুন বাজার বাড়ানো প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, বলেন, একটা সময়ে সামষ্টিক অর্থনীতিতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি ছিল। গত দুই বছরের মধ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়েছে। অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিও স্থবির হয়ে পড়েছে। মূল্যস্ফীতির লাগামও কোনোভাবে টানা যাচ্ছে না। সুদহারের ক্যাপ আগেই তুলে নেওয়া উচিৎ ছিল। কোভিডকালীন ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়া হলো, সেটা কেন পরবর্তীতেও বহাল রাখা হবে?

আলোচনায় আরও অংশ নেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) ও সাবেক অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ।

এএ