পুঁজিবাজারে ঢালাও দরপতন, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

সানবিডি২৪ প্রতিবেদক আপডেট: ২০২৪-০৫-১৯ ২১:৫৯:৫২


দরপতনের বৃত্তে আটকে গেছে দেশের শেয়ারবাজার। চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববারও (১৯ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূচক নিম্নমুখী হয়েছে। পাশাপাশি উভয় বাজারে লেনদেন কমেছে। এ নিয়ে টানা ৬ দিন পুঁজিবাজারে পতন হলো।

এতে বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পাল্লা ভারী হয়েছে। ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছেন না তারা। ফলে সময় যত গড়াচ্ছে, তাদের পুঁজি হারানোর আতঙ্ক তত বাড়ছে। পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই সর্বনিম্ন দামে শেয়ার বিক্রি করছেন।

স্বাভাবিকভাবেই বিক্রির চাপ মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। তাতে ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে।
গত কয়েক কর্মদিবসের মতো এদিনও সর্বনিম্ন দামে ব্যাপক সংখ্যক শেয়ার বিক্রি করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে ক্রেতা সংকটে পড়ে ২ শতাধিক প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসই’তে সবকটি খাতের প্রতিষ্ঠানের ঢালাও পতন হয়েছে। বাজারটিতে ৮৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এতে ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক দেড় শতাংশের ওপরে কমেছে। সেই সঙ্গে লেনদেন কমে ৫০০ কোটি টাকার নিচে নেমেছে।

অপর শেয়ারবাজার সিএসই’তেও ঢালাও দরপতন হয়েছে। বাজারটিতেও সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। এ নিয়ে টানা ৬ দিন পতনের মধ্যে থাকলো শেয়ারবাজার। এর আগে গত সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসেই দরপতন হয়। তাতে ১ সপ্তাহে ডিএসই’র বাজার মূলধন ৫ হাজার ২০২ কোটি টাকা কমেছে। আর প্রধান মূল্যসূচক হ্রাস পেয়েছে ১৪৩ পয়েন্ট।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে মাত্র ২২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দর কমেছে ৩৪৭টি প্রতিষ্ঠানের। আর ১৯টির মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসই-এক্স ৮৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৩১ পয়েন্টে নেমে গেছে।

ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ২০ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১ হাজার ১৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ২৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। পাশাপাশি ২৩ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। দিনভর বাজারটিতে তা হয়েছে ৪০৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসের চেয়ে যা ২৬৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা কম।

অপর স্টক মার্কেট সিএসই সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৬৯ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২২৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ১৮৬টির এবং ১২টির মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে তা হয়েছিল ৫৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

বিএইচ