স্বল্প আয়ের মানুষের হিসাবে আমানত বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা
অর্থনীতি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২৪-০৬-২০ ১১:৩৪:২০
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সুবিধা দিতে ১০ টাকা,৫০ টাকা ও ১০০ টাকার ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ করে দিয়েছিল সরকার। এগুলোকে নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্ট (এনএফএ) বলা হয়। তবে, স্কুল ব্যাংকিং ও কর্মজীবী শিশুদের অ্যাকাউন্ট এই হিসাবের বাইরে। এই নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ব্যালেন্স বা সার্ভিস চার্জ/ফি নেই। সমাজের সব স্তরের মানুষের আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগের আওতায় এসব অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।
এছাড়া, সাধারণ চলমান সঞ্চয় হারের তুলনায় নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্টগুলোতে বেশি হারে সুদ দেওয়া হয়। এই ব্যাংকিং সুবিধাভোগীর মধ্যে আছেন- কৃষক, পোশাক শ্রমিক, অতি দরিদ্র, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাভোগীরাসহ অনেকে। ২০২৪ সালের মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোতে এসব স্বল্প আয়ের মানুষের হিসাব সংখ্যা, আমানত, প্রবাসী আয় আসা ও দুইটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম থেকে ঋণ গ্রহণ বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর শেষে ১০, ৫০ ও ১০০ টাকা দিয়ে খোলা স্বল্প আয়ের মানুষের ব্যাংক হিসাবে আমানতের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৪৬৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর চলতি বছরের মার্চ শেষে এসব হিসাবে আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭৯১ কোটি ১০ লাখ টাকা। সেই হিসাবে তিন মাসে ১০, ৫০ ও ১০০ টাকা দিয়ে খোলা হিসাবে আমানত বেড়েছে ২২৫ কোটি ৭ লাখ টাকা বা ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকগুলোতে নো-ফ্রিল অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৬৯ লাখ ৮৩ হাজার ৫৬০টি। আর চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোতে স্বল্প আয়ের মানুষের অ্যাকাউন্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭২ লাখ ৬৩ হাজার ৮৬১টি। সেই হিসাবে তিন মাসে অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বেড়েছে ২৮ হাজার ৩০১টি বা ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।
তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর শেষে ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীদের ২০০ কোটি ও ৫০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম থেকে ঋণ নেয়ার পরিমাণ ছিল ৭১১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। চলতি বছরের মার্চ শেষে ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীদের দুইটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম থেকে ঋণ নেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৬৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
এছাড়া, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে এসব হিসাবের মাধ্যমে আসা মোট প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ৬৭৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আর চলতি বছরের মার্চ শেষে এসব হিসাবের মাধ্যমে পাওয়া প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা।
এএন






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














