বাজারে কমেছে ইলিশের দাম

|| প্রকাশ: ২০১৫-১০-২৩ ১৬:২৪:১৮ || আপডেট: ২০১৫-১০-২৩ ১৬:২৪:১৮

Hilsa-Fishরাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে। তবে এখনও কমেনি সবজির দাম। কোরবানির ঈদের পর থেকেই সবজির বাজার বেশ চড়া; কেজি প্রতি ৫০ টাকার নিচে তেমন কোনো সবজি নেই। অন্যদিকে গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি জোড়া ইলিশের দাম আকারভেদে ২০০-৩০০ টাকা কমেছে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর মালিবাগ, খিলগাঁও কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে। সিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, ঢেড়স, পুইশাক, লালশাক পালংশাকসহ বিভিন্ন ধরনের আগাম শীতকালীন শাক-সবজিতে সেজেছে দোকানগুলো। তবে দাম বেশ চড়া।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সবজির দামই কেজি প্রতি ৫০ টাকার বেশি। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২০০-২৪০ টাকা, সিম ১২০-১৪০ টাকা, বরবটি ৮০-৯০ টাকা, ধুনধুল ৬০-৬৫ টাকা, বেগুন ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ১২০-১৩০ টাকা, কাকরোল ৬০-৭০ টাকা, পটল ৫০-৫৫ টাকা, মূলা ৫০-৬০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, কচুর লতি ও কচুমুখি ৫০-৬০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৫০-৬০ টাকা, ফুলকপি ৩৫-৪০ টাকা, পাতাকপি ৩০-৪০ টাকা, চালকুমড়া ৪৫-৫০ টাকা, পেঁপে ৩০-৩৫, আলু ২৬-২৮ টাকা এবং কাঁচাকলার হালি ২৫-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পুইশাকের প্রতি আটি ৩০-৪০ টাকা, পালং শাক ২০-৩০ টাকা, লাউ শাক ৩০-৪০ টাকা, লাল শাক ২০-২৫ টাকা এবং কলমি শাক ১০-১৫ টাকা।

মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা জামিল আহমেদ অর্থসূচককে বলেন, এখন সবজির মৌসুম না। কিছু আগাম শীতকালীন শাক-সবজি বাজারে আসছে। তবে এর পরিমাণ খুব বেশি না; তাই দাম চড়া।

তিনি বলেন, এবারের অতি বৃষ্টি ও অনেক স্থানে বন্যার কারণে অনেক সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। তবে পানি নামার পর আবার সবজি লাগিয়েছেন চাষিরা। এসব সবজি এখানও বাজারে আসা শুরু করেনি। এসব সবজি চলতি মাসের শেষ দিকে এবং আগামী মাসের শুরুর দিকে বাজারে আসতে পারে। তখন হয়তো সবজির দাম কমবে।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৭০০-৮০০ গ্রামের একটি ইলিশ ১০০০-১২০০ টাকা, প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৭০-২৪০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৩০-১৮০ টাকা, কৈ মাছ ২০০- ৩০০ টাকা, বড় দেশি রুই ও কাতল ৪০০-৫০০, আমদানিকৃত রুই-কাতল ৩২০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আইড়, বোয়াল, কোরাল, বেলে, চিংড়ি, রূপচাঁদা বাইম জাতীয় মাছের দাম কেজি ৭০০ টাকার উপরে।

একই বাজারের মাছ বিক্রেতা হানিফ জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় দামও কমেছে। ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ গত সপ্তাহে প্রতি জোড়া প্রায় ১২০০ টাকায় বিক্রি হলেও তা বর্তমানে ১০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আর ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতিটির দাম ২০০-৩০০ টাকা কমে ১০০০-১২০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আবার ১ কেজির বেশি ওজনের প্রতিটি ইলিশের দাম ১৬০০-১৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; যা গত সপ্তাহে ২০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬৫-৭০, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৫-৬০ ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৪০-৫০ টাকা; দেশি আদা ১৩০-১৪০ টাকা, ভারতীয় আদা ১৩০ ও চীনা আদা ১০০ টাকা; দেশি রসুন ৮০-৯০ টাকা, চীনা রসুন ১০৫-১১০ ও তিন দানা রসুন ১৩০ টাকা এবং ধনে পাতা ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪০০-৪২০ টাকা, খাসি ৫০০-৫৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৩০-১৩৫ টাকা, লেয়ার ১৪০-১৪৫ টাকা, ফার্মের মুরগির ডিমের হালি ৩২ টাকা, দেশি মুরগি ডিমের হালি ৪৫ টাকা এবং হাঁসের ডিমের হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।