আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে সংস্কার বা নির্বাচন অসম্ভব: জয়
সানবিডি২৪ প্রকাশ: ২০২৪-০৯-২৫ ১৭:৪২:৪২
আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ প্রকৃত সংস্কার বা নির্বাচন দেখতে পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।
তিনি রয়টার্সকে বলেছেন যে তিনি সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের প্রায় ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচনের টাইমলাইনে সন্তুষ্ট। তবে, এ সময়কেও অনেক দেরি বলে মনে করেন তিনি।
এর আগে সেনাপ্রধান রয়টার্সকে বলেছিলেন, এক বছর থেকে দেড় বছরের মধ্যে গণতন্ত্র ফিরে আসা উচিত।
মঙ্গলবার জয় রয়টার্সকে বলেন, আমাদের অন্তত এখন একটি প্রত্যাশিত টাইমলাইন আছে শুনে আমি খুশি।
তিনি আরও বলেন, তবে এরকম নাটক আমরা আগেও দেখেছি, যেখানে একটি অসাংবিধানিক, অনির্বাচিত সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং তারপরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।
জয় মূলত ২০০৭ সালের সামরিক-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ইঙ্গিত করেছেন। তখন সে সরকার একটি নির্বাচনের আগে প্রায় দুই বছর শাসন করেছিল। পরে হাসিনাই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে।
৫ আগস্ট ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা তার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যান।
আওয়ামী লীগ প্রশাসনের পতনের পর, পুলিশ বাহিনীকে বিশৃঙ্খল অবস্থায় ফেলে দেওয়ায় সেনাবাহিনী নিরাপত্তা প্রদানের মূল ভূমিকা গ্রহণ করে।
এদিকে, নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার ৮ আগস্ট ক্ষমতা গ্রহণ করে। ইউনূস নির্বাচনের আগে বিচার বিভাগ, পুলিশ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করেননি।
বুধবার ইউনূসের কার্যালয় রয়টার্সকে বলেছে, সরকার ছয়টি সংস্কার প্যানেলের সুপারিশ পাওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে।
একবার সংস্কারের বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হলে এবং ভোটার তালিকা প্রস্তুত হলে, ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে তাতে।
নির্বাচনী সংস্কার প্যানেলের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সুপারিশ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ করবে নাকি নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করবে, সেটা সরকারের ওপর নির্ভর করছে।
জয় জনান, আওয়ামী লীগের সঙ্গে তিনি বা অন্তর্বর্তী সরকার কেউই অন্য দলের সঙ্গে আলোচনার জন্য যোগাযোগ করেনি।
তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে সংস্কার ও বৈধ নির্বাচন করা অসম্ভব।
বিক্ষোভকে ঘিরে সহিংসতায় ভূমিকা রাখার অভিযোগে আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতা, সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও উপদেষ্টাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যরা আত্মগোপনে চলে গেছে।
জয়ের দাবি, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।
এম জি






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














