ইসিতে সৎ, যোগ্য ও নিরপেক্ষদের নিয়োগ দেওয়া হবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৪-১১-০৩ ১৬:০৩:২২
সৎ, যোগ্য এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তিদেরকেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।
রোববার (০৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিয়ে সার্চ কমিটির প্রথম সভা শুরুর আগে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
প্রথম বৈঠকে নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি তাদের কর্মপদ্ধতি ঠিক করবেন। আইন অনুযায়ী কমিটি গঠনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নাম প্রস্তাবের সুপারিশ পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ২৯ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। সার্চ কমিটির প্রধান হিসেবে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নাম মনোনীত করেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানও মনোনীত হন।
জাতীয় সংসদে পাস হওয়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটি (অনুসন্ধান কমিটি) গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। আপিল বিভাগের একজন বিচারকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের এ অনুসন্ধান কমিটি গঠিত হয়। এতে সদস্য হিসেবে থাকেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান এবং রাষ্ট্রপতির মনোনীত দুজন বিশিষ্ট নাগরিক। এ দুই বিশিষ্ট নাগরিকের মধ্যে একজন হবেন নারী।
আইনে বর্ণিত যোগ্যতা-অযোগ্যতা বিবেচনা করে এই সার্চ কমিটি ১০ জনের নাম প্রস্তাব করবেন। ১০ জনের মধ্য থেকে ৫ জনকে নিয়ে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন নতুন নির্বাচন কমিশন।
উল্লেখ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ পুরো কমিশন। তার সহযোগী অন্য কমিশনাররা হলেন- মো. আহসান হাবীব খান, রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর ও মো. আনিছুর রহমান।
শুরু থেকেই আউয়াল কমিশন ঘিরে ছিল নানা বিতর্ক। সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হলেও কমিশনাররা আওয়ামী লীগ সরকারের আস্থাভাজন ব্যক্তি বলে অভিযোগ ওঠে নানা সময়। কমিশনাররা নানা সময়ে বেফাঁস মন্তব্য করে হয়েছেন বিতর্কিত। সবশেষ ২০২৪-এর ডামি নির্বাচনের জন্যও এই কমিশনকে দায়ী মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।
এ কমিশনের আমলে গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও বর্জন করে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল। শুধু আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্র দলগুলো ওই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
পাশাপাশি নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে ভোটের হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করায় আস্থা হারায় এই কমিশন। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে গেছে আউয়াল কমিশন।
বিএইচ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














