আত্মঘাতী বোমায় নারীসহ ২ জঙ্গি নিহত

আপডেট: ২০১৬-১২-২৫ ১০:৫২:৩৭


surya-vilaরাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনায় জঙ্গিদের ভবনে অভিযানে এক নারীসহ ২ জঙ্গি নিহত হয়েছে। তারা আত্মঘাতী বোমায় নিহত হয়।

এর আগে শুক্রবার রাত ২টার দিকে আশকোনার ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে পুলিশ। এরপর শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুই শিশুসহ দুই নারী বেরিয়ে আসে ওই ভবন থেকে। সেখানে আরো তিনজনের অবস্থানের কথা জানায় পুলিশ।

এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনে ঢুকে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। অভিযান শুরুর পর থেকেই ভবনের ভেতরে দফায় দফায় গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়।

পুলিশের অভিযানের আগে দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে ওই ভবন থেকে পর পর দুটি বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের ইন্সপেক্টর শফি আহমেদ আহত হন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বোমা নিক্ষেপের পর ভবনে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ভেতরে থাকা এক জঙ্গি শরীরে বাঁধা বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এ সময় গোলাগুলির শব্দও শোনা যায়। পরে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. ছানোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘জঙ্গি সুমনের স্ত্রী ঘর থেকে বেরিয়ে এসে পরে থাকা সুইসাইড ভেস্টের বিস্ফোরণ ঘটান। তার সঙ্গে ছিল জঙ্গি ইকবালের মেয়ে।’  শনিবার দুপুর ১টার দিকে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ছানোয়ার হোসেন জানান, জঙ্গি সুমনের স্ত্রী ও জঙ্গি তানভীর কাদেরের ছেলেকে বারবার আত্মসমর্পণের কথা বলা হয়েছিল। তারা রাজি হয়নি। পরে পুলিশ ওই ফ্ল্যাটে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে। ওই দুইজন গ্রেনেড দিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায়। এতে তারা আহত হয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বাড়িটিতে থাকা জঙ্গি ইকবালের শিশুসন্তানকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটি) সদস্যরা। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী সোয়াত, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।