বালাইনাশক উৎপাদকরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি: মোস্তাফিজুর রহমান
সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৫-০৬-০১ ০৯:১৮:১৯
বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফেকচারার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের অন্যতম ব্যবসায়ী নেতা কে এস এম মোস্তাাফিজুর রহমান বলেন, বালাইনাশক উৎপাদকদের সহায়তা করা হলে কৃষক হতে শুরু করে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি মানুষ উপকৃত হবে। এরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি।
শনিবার (৩১ মে) রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে বিপিসি ও বামার যৌথ উদ্যোগে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমাতে ‘আমদানি বিকল্প দেশীয় বালাইনাশক উৎপাদকদের বাধা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান , উৎপাদনকারীরা দেশের সম্পদ তারা দেশের টাকা দেশেই কাজে লাগায় অন্যদিকে মাল্টিন্যাশনালরা অধিক মূল্য দেখিয়ে বিদেশে অর্থ পাচার করে।
তিনি বলেন, আমাদের কয়েকটি সুপারিশ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে। যেমন: সোর্স উন্মুক্ত করতে হবে, প্রতিটি চালানে মালামাল আনার ক্ষেত্রে এওসি নিতে হয় সেটা বাতিল করতে হবে, প্যাটেন্ট আইন কার্যকর করতে হবে, কাঁচামাল ও উৎপাদনে সহযোগী উপাদানের কাস্টমস ডিউটি ফ্রি করতে হবে এবং যাদের ফিনিশ প্রোডাক্ট সেগুলোর ডিউটি বাড়াতে হবে।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কৃষকের কল্যাণে আমাদের লিখিত সুপারিশগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যকর করা হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।
তিনি আবারও জোর দাবি জানান, যতদ্রুত সম্ভব বালাইনাশকের কাচামালের সোর্স উম্মুক্ত করে সেগুলোর সহযোগী রাসায়নিক পদার্থ আমদানিতে জিরো শুল্ক ঘোষণা দিতে হবে। এগুলো না হলে কৃষি রসায়নে বহুজাতিকের মনোপলি বা একচেটিয়া বাণিজ্যে উচ্চুমুল্যের বলি হতে থাকবে কৃষকরা। দেশের কৃষিকে টেকসই করতে ও কম খরচে ফসল উৎপাদনে দ্রুত পদক্ষেপ সরকারকেই নিতে হবে বলে তাগিদ দেন এই দেশীয় বালাইনাশক উৎপাদক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- বিপিসির সিইও এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নাহিদ আফরোজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন- বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব ড. জাকির হোসেন, অনুজীব বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড, আনোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ।
আলোচকরা বলেন, কাচামালের সিঙ্গেল সোর্স জটিলতা, কাঁচামাল উৎপাদন নীতিমালার অভাব, বেআইনি ভাবে প্যাটেন্ট পণ্যে মানোপলি, বন্দর থেকে কাঁচামাল খালাশে জটিলতা এবং উন্নয়ন অবকাঠামো নির্মানে সময়সীমার অভাব থাকায় আমদানি বিকল্প দেশীয় বালাইনাশক উৎপাদকরা টিকতে পারছে না। তাই সিঙ্গেল সোর্স প্রথা বাতিল, প্যাটেন্ট আইন ও ফোর্স লাইসেন্সিং কার্যকরী, পিটাক পুনগঠনের সুপারিশ করা হয়।
বিএইচ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














