দায়িত্ব পালনকারীদের আশ্বস্ত ও সীমালঙ্ঘনকারীদের সর্তক করলেন এনবিআর চেয়ারম্যান

সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৫-০৭-০৭ ১৮:৪৯:১৫


জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেছেন, আন্দোলনের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আমি আশ্বাস দিয়েছিলাম কারো কিছু হবে না। আমার জয়গায় আমি ঠিক আছি। আন্দোলনতো অনেকে করেছে। অবসরে পাঠানো হয়েছে পাঁচ জনকে। সবাই যদি দায়িত্বশীল আচরণ করে। নিজ নিজ দায়িত্ব সুষ্ঠু ভাবে সম্পূর্ণ করে তাহলে কারও কিছু হবে না। এছাড়া যারা বড় আকারে সীমালঙ্ঘন করেছে তাদের বিষয়ে ভিন্নভাবে দেখা হবে।

সোমবার (৭ জুলাই) ঢাকা কাস্টমস হাউজের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, মোংলা ও শুল্ক স্টেশনগুলো অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। আমি আগেই বলেছি , আমাদের ব্যবসায়ীরা যাতে কোন ধরনের বিড়ম্বনার স্বীকার না হয় বা সম্যাসায় যাতে না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আরেকটি বিষয় বলেছিলাম, সব কিছুর উপর রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের স্বার্থকে আগে দেখতে হবে এবং অগ্রাধিকার দিতে হবে। ব্যক্তি বা গোষ্ঠির স্বার্থকে বড় করে না দেখতে। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, আমরা কেউই অপরিহার্য নয় কিন্তু রাষ্ট্র অপরিহার্য, কাস্টমস হাউজ অপরিহার্য এবং স্বাভাবিক চলমান রাখা অপরিহার্য। কারা এই কাজ করবে তা অপরিহার্য নয়। কাস্টটম হাউজের কার্যক্রমের কোন কাজে যাতে ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে বলেছিলাম।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের রাজস্ব আহরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ৩০ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা। আমি আশা করি আরও বাড়বে। সরকারি প্রজেক্টগুলো থেকে টাকা আসতে আরও দুই সপ্তাহর মত সময় লাগবে।

তিনি আরও বলেন, আজকে তিনটি সফটওয়্যার উদ্বোধন করেছি। আমাদের কাস্টমস শুল্ক অনলাইনে পরিশোধ করতে একটি সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে। এটার বিশেষ সুবিধা হচ্ছে যেকোন সময়, যেকোন ব্যাংক এবং কি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে শুল্ক পরিশোধ করতে পারবে। এর ফলে করদাতারা তাৎক্ষণিক কর পরিশোধ করতে পারবে। সাথে সাথে সরকারি ট্রেজারিতে অর্থ চলে যাবে। আগে অনেক সময় লাগত। এই পদ্ধতি এখন সব হাউজে বাস্তবায়ন হয়েছে। সপ্তাহ খানেক পরে অন্য পদ্ধতিতে শুল্ক পরিশোধ নিষেধ করে দিব।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, প্রবাসীরা যখন আসে ,তাদের সঙ্গে জিনিসপত্রগুলো নিয়ে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। এই সমস্যা কিভাবে একইবারে দূর করা যায়। তার জন্য আমরা ব্যাগেজ রুলের আওতায় একটি সফটওয়্যার চালু করেছি। এতে কোন ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত জিনিসপত্রগুলো আনতে পারবে প্রবাসীরা। এবার ব্যাগেজ রুলে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে বছরে দশ ভরি স্বর্ণ বিনা শুল্ক আনতে পারবে। আগে একটি মোবাইল আনলেও শুল্ক দিতে হত। এবারের আইন অনুযায়ী একটা মোবাইল সাধারণ যাত্রী আনতে পারবে। সনদ প্রাপ্তরা দুইটা মোবাইল আনতে পারবে। অনেক সময় কাস্টমস হাউজে কিছু জিনিস আটকে রাখা হয় । এটাকে ডিট্যানশান বলে। এটার জন্যও সফটওয়্যার চালু করেছি। এটার মাধ্যমে জিনিসপত্রগুলোর পরবর্তী কি হল জানা যাবে। এতে যাত্রীরা স্বস্তি পাবে।

বিএইচ