যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে সেগুলোর আইনি ভিত্তি দিতে হবে: ডা. তাহের

প্রকাশ: ২০২৫-০৭-৩০ ২০:৩০:২১


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বৈঠকে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে সেগুলোর আইনি বৈধতা চেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে দ্বিতীয় দফার ২২তম দিনের আলোচনায় বিরতিতে এ কথা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

তিনি বলেন, আলোচনায় আমরা অনেক বিষয়ে একমত হয়েছি। কিছু রিজারভেশন আমাদের আছে নোট অফ ডিসেন্ট দিয়ে সেখানে আমরা একমত হয়েছি। এখন প্রশ্নটি আসছে যে, এই যে ঐক্যমত আসলো যেগুলো সেগুলার ভবিষ্যৎ কী?

তিনি বলেন, আমরা বলছি যে এটাকে আইনে ভিত্তি দিতে হবে। কিন্তু আইনি ভিত্তি না দিলে এটা তো একটা খাওয়া-দাওয়া আলাপ আলোচনা করে শেষ হল। অথবা আমরা রিকমেন্ড করলাম অঙ্গীকার করলাম। কি অঙ্গীকার করলাম? কার কাছে অঙ্গীকার? অঙ্গীকার দিয়ে তো শেষ হবে না। এরকম অঙ্গীকার আমরা কত জায়গায় করতেছি। অঙ্গীকার ভাইঙ্গালে মানুষ কি বলে? এ ওয়াদা রাখে না। এতটুকু ছাড়া তো আর কিছুই নেই। আমাদের দেশে ওয়াদা রাখে না। এ কথা কইলে লজ্জা পাওয়ার মত রাজনীতি এখনো তো তৈরি হয়নি। এজন্য আমরা বলেছি আমাদের সমস্ত পরিশ্রম সার্থক হবে। আমাদের এটা প্রয়োজন যে এগ্রিড রিফর্ম যেগুলো হয়েছে এগুলোকে আইনে ভিত্তি দিতে হবে।

আগামী পার্লামেন্টে এসব বিষয় বাস্তবায়ন অবাস্তব উল্লেখ করে এই জামায়াত নেতা বলেন, কেউ কেউ বলছেন যে এটা এখন দরকার নাই। আগামী পার্লামেন্টে যারা জিতবে তারা গিয়ে এটা করবে। এটা একেবারে একটা অবাস্তব এবং অসমঞ্জস বক্তব্য। কারণ আপনি আগামী পার্লামেন্টে যাবেন। তাহলে এই পার্লামেন্ট ইলেকশন কিভাবে হবে? আগের নিয়মে হবে। আগের নিয়মে গেলে সংস্কার কি হইছে? তো এজন্য আমরা বলছি এটা একেবারে অর্থহীন একটা প্রলাপের মত মনে হয়। কারণ আমরা পরিশ্রম করছি এটাকে ইমপ্লিমেন্ট করা। এখন কেউ কেউ প্রশ্ন উঠিয়েছে যে এই সরকারের পক্ষে আইনগত ভিত্তি দেওয়া সম্ভব কিনা? আমরা বলেছি যদি সম্ভব হয় তাহলে করবেন। আর যদি অসম্ভব হয় তাহলে আমরা করব।

বিএইচ