শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের

আপডেট: ২০১৭-০৩-০১ ১৮:১৬:৪৩


Law.Adalatপ্রিমিয়াম সিকিউরিটিজ লিমিটেডের শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ৮ মার্চ বুধবার আসামীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করেছে আদালত। আদালত সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

আজ বুধবার দুপুরে ৪ নং আসামী মনির উদ্দিন আহমেদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে শেয়ারবাজার-সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক আকবর আলী শেখ এই দিন ধার্য করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- কোম্পানির চেয়ারম্যান ও র‌্যাঙ্কস গ্রুপের কর্ণধার এম এ রউফ চৌধুরী, প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান, পরিচালক ও এইচআরসি গ্রুপের কর্ণধার সায়ীদ হোসেন চৌধুরী ও অনু জায়গীদার।আসামীরা এদিন কিছু বলার থাকলে আদালতে জানাতে পারবেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামিরা প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের নামে ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেছেন। আলোচ্য সময়ে তারা মিতা টেক্সটাইল, প্রাইম টেক্সটাইল, বাটা সুজ ও বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার লেনদেন করেছেন।

যার মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মার ১৩ লাখ ২৪ হাজার৯৭৫টি,  মিতা টেক্সটাইল লিমিটেডের ১ লাখ ১১ হাজার ৫৬০টি,  প্রাইম টেক্সটাইল লিমিটেডের ২ লাখ ৭৪ হাজার ৫০টি, বাটা সু লিমিটেডের ৫ লাখ ৫৩ হাজার ১০০টি শেয়ার ছিল।

অভিযোগ, আসামিরা ওই সব কোম্পানির শেয়ার অপারেট করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি, অপকার ও অনিষ্ঠ সাধন করেছেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২১ ধারা বলে গঠিত তদন্ত কমিটি ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে আসামিরা সিকিউরিটিজ অ্যান্ডএক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ১৭ ধারার ই(২) বিধান লংঘন ও সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ এর ২৪ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে এতে উল্লেখ করা হয়।

এই মামলার সাক্ষীরা হলেন- বাদী বিএসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এমএ রশিদ খান, সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর জহুরুল হক, প্রফেসর আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল খালেক ও সিনিয়রএক্সিকিউটিভ দেলোয়ার হোসেন।