বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি অত্যন্ত ভালো: অর্থ উপদেষ্টা
সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৫-০৯-২৯ ১৯:০৪:৪৫
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভালো-মন্দ মিলিয়ে কাজ করছে। তবে, দেশের বাইরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি অত্যন্ত ভালো।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামে কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ইন ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির ব্যক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন ।
ইআরএফের সভাপতি দৌলত আকতার মালার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া, দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের সভাপতি এন কে এ মবিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শুভাশীষ বসু।
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কোম্পানিগুলো অনেক বেশি ব্রিলিয়ান্ট এবং স্মার্ট। এজন্যই তারা এতো টাকা বিদেশে পাচার করতে পারে। তিনি সাংবাদিকদের বাংলাদেশ সম্পর্কে ইতিবাচক সংবাদ প্রচারের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অনেকে নেতিবাচক কথা বলার মাাধ্যমে সরকারকে দুর্বল ও পতিত ফ্যাসিস্টদেরকে শক্তিশালী করেন।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অনেক সময় আমরা যে কাজ করি তা সঠিক হয় না বা বুঝতে চাই না। সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে আমাদের সাহায্য করে। রিপোর্ট লেখার ক্ষেত্রে শুধু তথ্য তুলে না ধরে তার গভীরে গিয়ে পাঠকদের জন্য বিশ্লেষণ তুলে ধরার আহ্বানও জানান তিনি।
ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সাজ্জ্বাদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এফআরসি প্রায় ৬০০০ হাজার প্রতিষ্ঠান নিয়ে কাজ করে। এফআরসি অডিটরদের মান উন্নয়নে কাজ করছে।
তিনি বলেন, এফআরসি কর্পোরেট সেক্টরে সৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অডিট রিপোর্ট। আর এই অডিট ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে গিয়ে এফআরসি এই ৬ হাজার প্রতিষ্ঠানের বাধার সম্মুখীন হয় বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনে যদি সবকিছু পূর্নাঙ্গভাবে প্রকাশ থাকে তাহলে শেয়ারের দাম আকাশে উঠবে না। আবার সম্পদের মূল্যায়ন ঠিক থাকলে ব্যাংকগুলো ঋণ দেওয়া ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। সেইসাথে অডিটরদেরকে জাগিয়ে তুলতে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) সভাপতি এন কে এ মবিন বলেন, বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের জন্য প্রথমেই কর্পোরেট স্ট্রাকচারের দিকে নজর দেয়। বাংলাদেশে পারিবারিক মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো কমপ্লায়েন্স মানতে চায় না।
ডিজিটাল প্রযুক্তি ও ডিভিএস প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে স্বচ্ছতা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি প্রযুক্তির ব্যবহার আরও নিশ্চিত করা যায়, তাহলে সুশাসন বৃদ্ধি পাবে। সেইসাথে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থা আরও মজবুত হবে এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হবে বলে জানান তিনি। আলোচনা শেষে ইআরএফের ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন অর্থ উপদেষ্টা।
বিএইচ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














