একটি দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমেদ
সানবিডি২৪ প্রতিবেদক আপডেট: ২০২৫-১০-২৩ ১৮:০৫:৫৩
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘এখন একটি রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে। তবে তাদের কিছু দাবি-দাওয়া আছে। আমরা আশা করছি সুন্দর সমাধান হবে।’
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীতে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বুধবার একটি দল বলেছে, আমরা নাকি চাপে জুলাই সনদে গণভোটের প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। আমরা বলেছি, জাতীয় নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট হতে পারে।’
সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে বিএনপির এ নেতা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আদেশ জারি ও প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আইনি কাঠামো দিতে পারেন। সবই হতে হবে বাস্তবতার নিরিখে এবং আইন দিয়ে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ বাতিলের দাবি তুলতে না পারেন। এক্ষেত্রে সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘চব্বিশোত্তর বাংলাদেশে আমাদের প্রত্যাশা ও ভাবনা কী? নতুন প্রজন্মের ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। সেজন্য আমরা এরই মধ্যে তারুণ্যের ভাবনা জানতে সভা-সেমিনার করেছি। চব্বিশোত্তর বাংলাদেশের প্রধান শিক্ষা হলো- পরিবর্তন। সবক্ষেত্রে মেধা, জ্ঞান এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হবে। সমাজের যে স্তরেই আমরা কাজ করি না কেন, আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা ব্যাপক। কারণ তারা তরুণ প্রজন্মকে শেখান।’
তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা হলো গবেষণাধর্মী ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রতিষ্ঠান। খাতভিত্তিক গবেষণামূলক শিক্ষাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। যাতে আমরা গবেষণার মাধ্যমে বৈশ্বিক পর্যায়ে যেতে পারি। কর্মমুখী ও সময়োপযেগী কারিকুলাম নির্ধারণ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জনসংখ্যার কর্মসংস্থান অবশ্যই করতে হবে। এক্ষেত্রে শুধু সরকারের ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না। বরং আত্মনির্ভরশীল হয়ে নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা যে পরিবর্তন আশা করছি তা সর্বত্রই হতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন শুধু বৈষম্যমূলক চাকরিব্যবস্থা বা কর্মসংস্থানের জন্য নয়। সেটি ছিলো দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ শাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ। যে কারণে দ্রুত গতিতে এক দফার ভিত্তিতে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয় এবং বহু লড়াই, সংগ্রাম ও রক্তের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।’
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যত সংস্কারই আমরা করি না কেন, মানসিক সংস্কার আগে করতে হবে। না হলে আমরা যত সংস্কারের কথা বলি না কেন, আমরা কিন্তু আইনে রূপান্তর করতে পারব না। গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী আইনি রূপান্তর ঘটাতে পারলে জাতির মুক্তি হবে। আসুন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আমরা সবাই একসঙ্গে হই।’
বিএইচ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














