‘২০১৯ সালের মধ্যেই মেট্রোরেল হবে’

|| প্রকাশ: ২০১৫-১০-২৭ ১১:৫৫:১৬ || আপডেট: ২০১৫-১০-২৭ ১১:৫৫:১৬

metro-railসরকার রাজধানীর দুঃসহ যানজট নিরসনে ২০২৪ সালের পরিবর্তে ২০১৯ সালের মধ্যেই মেট্রোরেলের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য কাজ করছে।

সোমবার মন্ত্রিসভায় পেশ করা বার্ষিক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

প্রথম পর্যায়ে মেট্রোরেল রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের ৫ বছর আগেই শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম. মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিবেদনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সাফল্য ও কর্মকাণ্ড তথা দেশের সার্বিক আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি মন্ত্রিসভার কাছে গুরুত্বসহকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, দেশের মাথাপিছু আয় আগের বছরের তুলনায় বেড়ে ২০১৪-’১৫ অর্থবছরে হয়েছে ১ হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলার। এর আগের বছর মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ১৯০ ডলার। একই সময়ে দেশের রপ্তানি ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পণ্যের বহুমুখীকরণ, সরকারি পদক্ষেপ এবং রপ্তানিকারকদের কঠোর পরিশ্রমের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের বার্ষিক রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭৯ দশমিক ৫০ কোটি টাকা। যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ৫৫১ দশমিক ৫০ কোটি টাকা বেশি। দেশের রেমিট্যান্সের হার ৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেশি। এই সময়ে মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকাও ছিল স্থিতিশীল।

প্রতিবেদনে  বলা হয়, দেশে ডিজিটাল সেবার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। ৮০০ সরকারি স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্র ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। ৪৮৫টি হাসপাতাল বিনামূল্যে টেলি-মেডিসিন সেবা প্রদান করছে। ১২ কোটি ৬৮ লাখ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। ৪ কোটি ৮০ লাখ মানুষ ইন্টারনেটের গ্রাহক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। ৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের (ডিইই) অবকাঠামোগত কাজ ৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালি পর্যন্ত বিস্তৃত এর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। সরকার কর্ণফুলী নদীর নিচ দিয়ে একটি টানেল নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

সানবিডি/ঢাকা/এসএস