আইপিও তহবিলে অনিয়ম একমি পেস্টিসাইডসের, ব্যবসায় লোকসান হলেও লাগামহীন শেয়ারদর
::জাকির হোসাইন আপডেট: ২০২৬-০৪-১৯ ২১:২৬:৩৭
আইপিও তহবিলের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, প্রসপেক্টাসে ঘোষিত সমসূচি না মানা, তহবিল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অনিয়মে জড়িত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডস। পাশাপাশি প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টে টাকা ছাড়াই শেয়ার বরাদ্দ, হিসাব কারসাজি ও প্রসপেক্টাসে অসংখ্য মিথ্যা তথ্য দিয়েছে কোম্পানিটি। এসকল অনিয়মের পাশাপাশি ব্যবসায় লোকসান আছে, নেই মূল্য সংবেদনশীল তথ্যও তবুও লাগামহীনভাবে বাড়ছে কোম্পানিটির শেয়ারদর।
আইপিও তহবিল ও ব্যবহারের চিত্র
অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করে ৩ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলণ করে একমি পেস্টিসাইডস। ২০২১ সালের ১৯ জুলাই আইপিও অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। সেসময় কোম্পানি জানিয়েছিল আইপিও ফান্ডের অর্থ কারখানা ভবন ও অন্যান্য নির্মাণকাজের জন্য ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা, বৈদ্যুতিক স্থাপনায় ২ কোটি টাকা, নতুন প্ল্যান্ট ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা, আইপিও খরচ বাবদ ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং ন্যাশনানাল ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। তবে সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুদসহ আইপিও ফান্ডের অব্যবহ্রত অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।
একমি পেস্টিসাইডসের অনিয়মের চিত্র
একমি পেস্টিসাইডস আইপিও তহবিলের অর্থ ২৪ মাসের মধ্যে ব্যবহার করবে বলে প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করেছিল। তবে সঠিক সময়ে আইপিও তহবিলের অর্থ ব্যবহারে ব্যর্থ হয় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। পরে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আইপিও তহবিলের অর্থ ব্যয়ের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। এই সময়ের মধ্যে আইপিও তহবিলের অর্থ ব্যবহার করতে পারেনি কোম্পানিটি। নতুন করে ইজিএম এর মাধ্যমে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রসপেক্টাসের ঘোষণা অনুযায়ী ঋণ পরিশোধে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করার কথা ছিল। তবে ঘোষণা অনুযায়ী এ ঋণ পরিশোধ করেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। কোম্পানিটির এ ধরণের কর্মকান্ডকে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাঁরা বলছেন, কোম্পানি আইপিও প্রসপেক্টাসে যে তথ্য দেয় সেই তথ্য জেনেই বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্ত নেন। আইপিও তহবিলের অর্থ উত্তোলণ করার পর কোম্পানি নিজেদের মত সময়সীমা নির্ধারণ করে নেবে আবার প্রসপেক্টাসে বর্ণিত খাত অনুযায়ী তহবিলের অর্থ ব্যয় করবে না এটা বিনিয়োগকারীদের সাথে এক ধরণের প্রতারণা।
আইপিও তহবিলের বিষয়ে বড় অনিয়ম হলো কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ভিন্ন আরেকটি কোম্পানির ঋণের বিপরীতে আইপিও তহবিলের অর্থ লিয়েন বা বন্ধক রেখেছে। এ অর্থ লিয়েন রেখে শারিব ট্রেড সংস্থা নামে এক কোম্পানি ঋণ নিয়েছে।
পাশাপাশি আইপিও তহবিলের অর্থ ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে ব্যবহারের শর্ত দিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। তবে বিএসইসির সম্মতি পত্রের শর্ত ভেঙ্গে একাধিক লেনদেন নগদে সম্পন্ন করেছে। এতে আইপিও সম্মতি পত্রে বর্ণিত নিয়ন্ত্রক সংস্থার শর্তও ভঙ্গ করেছে কোম্পানিটি।
এছাড়াও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির তদন্তে একাধিক অনিয়ম ও জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে এসেছে। কোম্পানিটি প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টে টাকা ছাড়াই শেয়ার বরাদ্দ, হিসাব কারসাজি ও প্রসপেক্টাসে অসংখ্য মিথ্যা তথ্য দিয়েছে। এসব অনিয়ম যাচাইয়ের দায়িত্ব ছিল ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়ে জালিয়াতিপূর্ণ প্রসপেক্টাসকে অনুমোদন দিয়েছে শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট। একারণে প্রতিষ্ঠানটির রেজিস্ট্রেশন বাতিলের সিদ্ধান্তও নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
শেয়ারদরে অস্বাভাবিক উল্লম্ফন
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, চলতি এপ্রিল মাসের ১ তারিখে একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেডের শেয়ারদর ছিল ২১ টাকা ১০ পয়সা। সর্বশেষ ১৬ এপ্রিলের লেনদেন শেষে এই শেয়ারদর ঠেকেছে ২৬ টাকায়। অর্থাৎ ১১ কার্যদিবসের ব্যবধানে শেয়ারদর প্রায় ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কোম্পানিটির এই দর বৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই। তাই দর বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে গত ৮ এপ্রিল চিঠি দিয়েছিল। ১৩ এপ্রিল কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শেয়ারদর বৃদ্ধির পেছনে কোন মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পুঁজিবাজারে কোন কোম্পানির শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। নতুন বড় অর্ডার বা প্রকল্প আসা, মুনাফা বাড়া কিংবা লভ্যাংশ ঘোষণা এবং ব্যবসায় বড় বিনিয়োগ বা সম্প্রসারণের মতো ইতিবাচক খবরে শেয়ারদর বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে একমি পেস্টিসাইডসসের ক্ষেত্রে এ ধরণের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
ডিএসইর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য মাত্র শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে ছিল শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ, ২০২৩ সালে শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ২০২২ সালে তুলনামূলক বেশি ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোম্পানির লভ্যাংশ ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট।
লোকসানের চিত্র
পাশাপাশি কোম্পানির সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, কোম্পানিটি চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) লোকসানে ছিল। তবে আগের বছরের তুলনায় লোকসান কিছুটা কমেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৮ পয়সা। জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ছয় মাসে শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ২৬ পয়সা, যা আগের বছরের ৩০ পয়সা থেকে কিছুটা কম। কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ সামান্য বেড়ে শেয়ারপ্রতি শূন্য দশমিক ০২ টাকায় দাঁড়িয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর কোম্পানির নিট সম্পদ মূল্য কমে ১৬ টাকা ৪১ পয়সা থেকে ১৬ টাকা ১৫ পয়সায় নেমে এসেছে।
অন্যদিকে ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডস লোকসান করেছে ১৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ফলে শেয়ার প্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা। আগের অর্থবছরেও কোম্পানিটি ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা লোকসান গুণেছে। সে সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৭৬ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় লোকসান বেড়েছে।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৯৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১৭ টাকা ৫৮ পয়সা।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা। সে বছরের ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস হয় ১৮ টাকা ৩৫ পয়সা।
আর ২০২১-২২ হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১২ পয়সা। সে বছরের ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১৭ টাকা ৯৯ পয়সা।
কোম্পানির ব্যবসা ও কার্যক্রম
একমি পেস্টিসাইডস ২০০৯ সালে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১০ সালে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। ২০১৯ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয় এবং ২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি পেস্টিসাইডস বা কীটনাশকের পাশাপাশি মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট ও ফসলের হরমোন এবং ভোক্তা পণ্য নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে।
কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড়, আগাছা ও ছত্রাকনাশক হিসেবে কাজ করে এমন কীটনাশকের পাশাপাশি কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিভিন্ন মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট ও হরমোন আমদানি করে। ফসলের বীজের বাজারেও ব্যবসা পরিচালনা করে একমি পেস্টিসাইডস। এছাড়া মশার কয়েল, সাবান, টয়লেট ক্লিনার, ডিটারজেন্ট, ডিশ ওয়াশ বারের মতো ভোক্তা পণ্য উৎপাদন করে কোম্পানিটি।
পরিচালনা পর্ষদ
কোম্পানির বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন শান্তা সিনহা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে রেজা-উর রহমান সিনহা দ্বায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি আহসান হাবিব সিনহা ও কে এম হেলাউর পরিচালক এবং কে এম নাসির উদ্দিন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
শেয়ারধারণ পরিস্থিতি
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে ৩১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। পাশাপাশি ২৭ শতাংশ শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অধীনে ৪১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। বি ক্যাটাগরিতে থাকা একমি পেস্টিসাইডের পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি টাকা। যেখানে অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা।
কি বলছেন বিশ্লেষকরা
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম সানবিডিকে বলেন, “আমাদের মূল সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে তলিকাভুক্ত কোম্পানির সুশাসনকে যেভাবে মনিটর করা দরকার প্রথমে স্টক এক্সচেঞ্জে সেটা করা হয় না এবং বিএসইসি লেভেল থেকেও করা হয় না। এগুলোর বিষয়ে জিরো টলারেন্সে না যাওয়া পর্যন্ত কোম্পানিগুলো ঠিক হবে না।”
তিনি বলেন, “মূল সমস্যাটা হচ্ছে সুশাসনের অভাব এবং এনফোর্সমেন্টের একটা একশন তো থাকবে। এটা আমাদের এখানে খুবই দুর্বল। এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমরা কোন উন্নতি দেখতে পাচ্ছি না।”
পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আল আমিন সানবিডিকে বলেন, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও স্বতন্ত্র পরিচালক যারা আছেন, তারা যেমন দেখবে সব ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা। অন্যদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থাও দেখবে (আইন-কানুন) প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা। ফলে বিনিয়োগকারীও জানবে তারা যে বিনিয়োগ করছে সেটা কোনো ভালো কোম্পানি কিনা। সবাই মিলে যদি কাজ করতে পারে তখনই হয়তো ভালো কিছু হবে। অন্যথায় একজনের ওপর আরেকজন দায় চাপাতে পারে কিন্তু দিন শেষে ক্ষতি হবে যিনি বিনিয়োগ করেছেন তাঁর।
কোম্পানির ব্যক্তব্য
কোম্পানির বিভিন্ন অনিয়ম ও সার্বিক বিষয়ে কথা বলা হয় কোম্পানিটির সিএফও মোঃ সেলিম রেজার সাথে। আইপিও ফান্ডের অর্থ ঘোষিত সময় অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়নি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা তো ইজিএম করে সময় বাড়ানোর জন্য কমিশনে সব জমা দিয়েছি।”
কি কারণে ব্যবহার করা গেল না এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের এখানে একটা ফান্ড আছে যেটা হল ন্যাশনাল ফাইন্যান্সে দেওয়ার কথা ছিল। ওটা পেমেন্ট হয় নাই, ওদের আইনি কারণে। ওইজন্য ওটা রয়ে গেছে। আর একটা বিল্ডিংয়ে মেশিনারিজের জন্য কিছু টাকা রয়ে গেছে যেটা পরবর্তীতে আধুনিক মেশিন আনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।”
প্রস্পেক্টাস অনুযায়ী সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের জন্য ব্যয় হওয়া কথা, ঋণ পরিশোধ করা হয়নি কেন জানতে চইলে বলেন, “ওদের সাথে আমাদের লিগ্যাল একটু সমস্যার কারণে এটা পরিশোধ করা হয়নি।”
আইপিও ফান্ডের অর্থ লিয়েন রেখে ভিন্ন কোম্পানি ঋণ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “ওরা কেমিক্যাল ইম্পোর্ট করে। আমরা তো এগ্রোকেমিক্যাল এজন্য ওদেরকে লিয়েন করে ওরা ইমপোর্ট করে আমাদের মাল সাপ্লাই দেয়।” এছাড়া ক্যাশ পেমেন্টের বিষয়ে জানতে চাইলে এটার ব্যাখ্যা বিএসইসিতে দেওয়া আছে বলে জানান তিনি।
পদক্ষেপ নেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা
বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম সানবিডিকে বলেন, আইপিওর টাকা কোথায় ব্যবহার করবে সেটা কোম্পানি প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করেছিল। এটা দেখেই বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগ করেছে। তাদেরকে প্রসপেক্টাসে ডিসক্লোজার দিয়ে নিজেদের মত পরিবর্তন করে ফেলাটা তাদের সাথে প্রতারণার শামীল।
কোম্পানিটির অনিয়মের বিষয় নজরদারিতে আছে জানিয়ে তিনি বলেন, “কোম্পানিটির অনিয়মের বিষয়ে ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বিএইচ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













