ক্রিকেটার নাঈমকে নির্যাতনের অভিযোগে ৩ পুলিশসদস্য প্রত্যাহার

স্পোর্টস ডেস্ক আপডেট: ২০২৬-০৬-১৩ ১৪:৩৪:৪৪


বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে তিন পুলিশসদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন সদস্যকে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় নাঈমের ভাই কামরুল হাসান সাব্বির বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন। শনিবার (১৩ জুন) তিনি বলেন, নাঈমের ভাই কামরুল হাসান সাব্বিরের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।

ওসি আরো জানান, অভিযুক্ত এসআই শফিকুল ইসলামসহ তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে সিএমপির পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশের কাছে চোরাচালান-সংক্রান্ত একটি তথ্য ছিল।

তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু অসঙ্গতি ও প্রক্রিয়াগত ত্রুটির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তদন্তে বিষয়গুলো নিশ্চিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে চান্দগাঁওয়ের বাসায় ফিরছিলেন নাঈম। পতেঙ্গা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে লালখান বাজার এলাকায় নেমে আরেকটি ফ্লাইওভারে ওঠার কথা ছিল তার। দুই ফ্লাইওভারের মাঝামাঝি এলাকায় পুলিশ তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে হেনস্তা ও নির্যাতন করার অভিযোগ উঠলো। এ সময় নাঈমকে পাইপ দিয়ে পেটানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বিসিবি এক বিবৃতিতে বলেছে, জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বোর্ড। তদন্তে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বিসিবি আরো জানায়, খেলোয়াড়দের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নাঈম হাসানের ঘটনায় পরবর্তী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এনজে