গণহত্যাকে জায়েজ করা সাংবাদিকদের বিচার হতে হবে: মাহমুদুর রহমান
সানবিডি২৪ প্রকাশ: ২০২৬-০৬-১৫ ২১:৫১:১৪
আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, মিডিয়ায় ফ্যাসিবাদের সহযোগীদের আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মূল ধারায় ফেরার সুযোগ রয়েছে। তবে যারা হত্যাকাণ্ড ও গণহত্যাকে জায়েজ করেছেন এবং সহযোগিতা করেছেন, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না; ফৌজদারি আইনে তাদের বিচার করতে হবে।
সোমবার রাজধানীর তথ্য ভবনের ডিএফপি সম্মেলন কক্ষে ‘ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)’ আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৬ জুন বাকশালী শাসনে সংবাদপত্র বন্ধের কালো দিবস উপলক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
মাহমুদুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস একনায়কতন্ত্র, বাকশাল, ফ্যাসিবাদ ও সংবাদপত্র দমনের ইতিহাস। স্বাধীনতার পর থেকেই মানুষের অধিকার সংকুচিত করার প্রবণতা চলে আসছে।
তিনি বলেন, “আমরা মিডিয়ার প্রকৃত স্বাধীনতা চাই। আমি আমার মত প্রকাশ করব, কেউ দ্বিমত পোষণ করলে লিখে তার প্রতিবাদ করবেন, কিন্তু কণ্ঠরোধ করা যাবে না।”
তিনি আরও বলেন, মিডিয়াকে কোটারিমুক্ত করে জাতীয় চরিত্র দেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই ‘ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল’ গঠন করা হয়েছে, যেখানে প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরের সম্পাদকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মাহমুদুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদের সহযোগীরা আত্মশুদ্ধি করে ঐক্যের অংশ হতে চাইলে আপত্তি নেই। তবে যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিংবা গণহত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন, তাদের এই ঐক্যের অংশ হওয়ার সুযোগ নেই; তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, অতীতে ক্ষতিগ্রস্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, বর্তমান সরকার তা অব্যাহত রাখবে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন- নয়াদিগন্ত সম্পাদক সালাহউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, বিএফইউজে সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশের খবর সম্পাদক সৈয়দ মেছবাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন, পিআইবি চেয়ারম্যান ফারুক ওয়াসিফ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি রাশেদুল ইসলাম এবং নিউ টাইমস সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, গ্রীন ওয়াচ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, আমার দেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক ও বিএফইউজে’র সাবেক সভাপতি এম আবদুল্লাহ, ডিএফপি মহাপরিচালক খালেদা বেগম, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল ঠাকুর, ডিইউজের সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমদ, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক সায়েম ফারুকী, খোলা কাগজের সম্পাদক মনির হোসেন, দৈনিক নওরোজ সম্পাদক শামসুল হক দুররানি, আমার কাগজ সম্পাদক ফজলুল হক রানা, বাংলাদেশ পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সদরুল হাসান, ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল, দ্য ডেইলী ইকোনমিক এক্সপ্রেসের প্রকাশক ও সম্পাদক আমীর হোসেন জনি, দৈনিক গণমুক্তির সম্পাদক ও প্রকাশক শাহাদাৎ হোসেন শাহীন, বাণিজ্য প্রতিদিন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, দৈনিক ভোরের বাংলার সম্পাদক শেখ মো. আরিফ, আমার দেশের বার্তা সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, বিএফইউজে’র সহসভাপতি খায়রুল বাশার, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, বিএফইউজে’র সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন ও ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন, ডিইউজের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম, মোহনা টিভির হেড অব নিউজ রাশিদুল হক, নারায়ণগঞ্জের দৈনিক যুগের চিন্তার সম্পাদক আবু আল মোরসালিন বাবলাসহ বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক, সিনিয়র সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














