আশ্রয় কেন্দ্রে ঈদ করতে হবে ১০ হাজার পরিবারকে
প্রকাশ: ২০১৭-০৮-২০ ১০:২৮:২৯
কেশবপুরের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। আর মাত্র ক’দিন পর ঈদুল । আশ্রয় কেন্দ্রে ও উঁচু স্থানে বসবাসকারী অন্তত ১০ হাজার পরিবারকে এবার ঈদ উদযাপন করতে হবে সেখানেই।গত বছরের ঈদুল আযহার নামাজ তারা যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের উপর পড়েছিলেন। এবারও তাদের একই অবস্থা। গত ২৯ দিন যাবত কেশবপুর পৌর এলাকার ৫ হাজার পরিবার ও উপজেলার ১১ ইউনিয়নের প্রায় এক লাখ মানুষ পানি-বন্দি হয়ে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে রয়েছেন। যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের পানি নেমে গেলেও কেশবপুরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী সড়কগুলো পানির নিচে রয়েছে।
যার কারণে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। অপরদিকে ১৭টি আশ্রয় কেন্দ্রে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আশ্রিতরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সরকারিভাবে গঠিত মেডিক্যাল টিম ৩ হাজার বানভাসিকে চিকিৎসা দিয়েছে। পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে নানা রকম রোগ।
আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা লোকজন জানান, তাদের ত্রাণের দরকার নেই। দ্রুত পানি নিষ্কাশন করে দিক আমরা বাড়ি যাই। বিভিন্ন সড়কের পাশে যারা বসবাস করছেন তাদের অনেকেই পলিথিনের অভাবে বৃষ্টিতে ভিজে টং ঘরে থাকছেন।
বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে সাতটি নলকূপ, ২৫টি টয়লেট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ব্র্যাক ১৯টি টয়লেট স্থাপন করেছে। বন্যায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩শ কোটি টাকা বলে সরকারি দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। কেশবপুর পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডসহ উপজেলার ১১ ইউনিয়নের প্রায় ৮০টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানি-বন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। প্লাবিত এলাকায় প্রতিদিনই পানি বাড়ছে।
এদিকে প্লাবিত এলাকায় মানুষের খাদ্য জুটলেও গো-খাদ্যাভাব চরম আকার ধারণ করেছে। অনেকে এখনো ভিটা আঁকড়ে পড়ে আছেন শুধু গবাদিপশুর মায়ায়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের আনা তিনটি স্কেভটর মেশিন পলি অপসারণে গত ১০ দিন যাবত কাজ চললেও পানি কমেনি প্লাবিত এলাকায়। বরং পানি বাড়ছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












