সিটি নির্বাচনে বিএনপিতে চাঙাভাব
প্রকাশ: ২০১৮-০৫-০৫ ২১:১৯:২১
গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতাদের মধ্যে চাঙাভাব লক্ষ্য করা গেলেও এ নিয়ে তাদের শঙ্কারও অন্ত নেই। নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে তাদের অভিযোগ ততই প্রবল হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে এই প্রথম নির্বাচন নিয়ে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত দলের আগামী দিনের গতি প্রকৃতি কোন দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়েও ভাবছেন দলটির নেতারা।
দলীয় সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ইস্যুতে স্থানীয় নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সমন্বয়ে এবং লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পরামর্শে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দুই সিটিতেই বিএনপি দলীয় মেয়র ছিলেন, যারা এই সরকারের আমলেও বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তাদের বাদ দিয়ে দুই সিটিতেই নতুন প্রার্থী দেয়া হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়লে বিএনপিকে সামনে বড় ধরনের মাশুল দিতে হতে পারে।
অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত বা এ নির্বাচনে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে না পারলে আগামীর আন্দোলনও ফলপ্রসূ হবে না। একবার যদি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এই ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয় যে তারেক রহমানের একক সিদ্ধান্তে দল নির্বাচন ও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে তাতে তার নেতৃত্ব নিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।
ইতোমধ্যে নির্বাচনী এলাকা ঘুরে এসে দলটির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা তাদের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নেতাদের অভিযোগ, পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলের নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকেও বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকারদলীয় প্রার্থী কারচুপির আশ্রয় নিতে পারেন। কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হলে, ভোটাররা ভোট দিতে পারলে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন। এখন চিন্তা জনগণ ভোট দিতে পারবে কি-না।
অন্যদিকে দলের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন বলেন, পুলিশ নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে। আগামীতে এই ঝামেলা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষায় নির্বাচনের পরিবেশ ঠিক থাকলে বিএনপির প্রার্থীই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন। তিনি বলেন, গাজীপুরের ৪০০ ভোট কেন্দ্রে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়েছে যাতে করে কারচুপি প্রতিরোধ করা যায়।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














