নতুন বাজারে বস্ত্র খাতের রপ্তানিতে প্রণোদনা বাড়ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০১৮-০৮-১২ ১০:৩৬:৫১
আমাদেও রপ্তানির বেশির ভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। তাই এ খাতকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার। এরই লক্ষ্যে এই খাতে রপ্তানি কারকদেও জন্য সুখবর দিয়েছে সরকার। গত ৮ আগস্ট বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৮-২০১৯ অর্থরছরের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভায় বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘দেশের রফতানির সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছর ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, রফতানি হয়েছে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এবছর তৈরি পোশাক রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২১ সালে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রফতানিতে আগে ৩ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতো। এখন আরও একভাগ বাড়িয়ে ৪ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামীতে তৈরি পোশাক রফতানিতে ১০ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হবে।’
তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে ২৭টি পণ্য রফতানি খাতে বিভিন্ন হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে বলে জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘এবার আরও ৯টি পণ্য রফতানিতে ১০ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পণ্যগুলো হলো হিমায়িত সফটসেল কাঁকড়া, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য ও ওষুধের কাঁচামাল, সিরামিক দ্রব্য, গালভানাইজড সিট বা কয়েলস, ফটোভলটাইক মডুল, রেজার ও রেজার ব্রেডস, ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে দেশের রপ্তানিকারকরা পণ্য রফতানিতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন। রফতানির এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে দেশের মোট রফতানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।’






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














