কী হচ্ছে রাজরাজাশ্বর? খুনের বিচার কী পাবে স্বজন হারা পরিবার
:: প্রকাশ: ২০১৮-০৮-১৩ ০৯:৫৪:৩৪
পদ্মা ও মেঘনার তীরে অবস্থিতি একটি ইউনিয়নের নাম রাজরাজাশ্বর। এই ইউনিয়নের আয়াতন প্রায় ১১ হাজার বর্গমাইল। ইউনিয়নটিতে বসবাস করে প্রায় ৪ হাজার পরিবার। এখানের বেশির ভাগ মানুষ জীবিকা নির্বাহ কওে খেত-খামাওে কাজ বা নদীতে মাছ স্বিকার করে। সহযোগীতি,সহমর্মিতা,সহানুভূতি সবার রিদ্দতাপূর্ণ আচরণে দীর্ঘদিন যাবত চলছে মানুষের বসবাস। কিন্তু হঠাত করে কী শুরু হলো এই এলাকাটিতে। একের পর এক খুন হচ্ছে? কোন কুল-কিনারা পাচ্ছে না পুলিশ। স্বজন হারালেও বিচার,খুনীরা থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোয়ার বাহিরে। এলাকার মানুষের অভিযোগ এলাকায় মদ-জুয়ার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে হচ্ছে একের পর এক খুন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুকে চলছে বিভিন্ন রকমের প্রচারণা..
এ বিষয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হজরত আলী বেপারী সানবিডিকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ এটি নিয়ে কাজ করছে, যাকে সন্দেহ করা হচ্ছে তার নাম ঠিকানা পুলিশকে দেয়া হয়েছে। এই খুনীদের ধরার জন্য, আমার পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগীতা থাকবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদপুর মডেল থানার ইনচার্চ সানবিডিকে বলেন, কয়েকটি বিষয়কে সামনে নিয়ে আগাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে এগুলো বলা যাবে না।
আব্দুল হামিদ লিখেছেন, রাজরাজেশ্বরে খুনের মিছিল ক্রমেই বেড়ে চলছে! হাসান ডাক্তার এর ছেলে, আমার ভাগিনাকে কে বা কারা হত্য করেছে,
বেপারি আলম লিখিছেন, আমার কলিজা আব্দুল হামিদ (রিয়াদ ) বাবা জানিনা তোকে কেন মেরে ফেললো। বাবা তোর এই মৃত্য কখনও যে মেনে নিতে পারবো না রে বাপ। বাপ কে আর আমার খোঁজ নিবে ফোন করে, কে বলবে বাবা ভাত খাইছো, বাবা ঠিকমতো চলাফেরা করিছ, কোন আড্ডা দিছনা শরিলের প্রতি যতœ নিচ, রোড ঘাট দেইখা চলা ফেরা করিস। বাড়ির কথা চিন্তা করিছ না, আমি তোর বাপ বাড়িতে আছিতো, বাবা তোর এই উপদেশ টুকু বুকে নিয়ে যেন বাঁচতে পারি। বাবা তুই তো সকালে আমার কাছে আশার জন্য চাঁদপুর যাইয়া পাচপোট পাঠাইছিলি, নিয়তীর কি নিষ্ঠুর পরিহাস তুকে আর আমার কাছে আসতে দিলো না ওরা বাপ। তুর সাথে লাস্ট এক মিনিট কথা হইছিলো তুই বলছো বাবা আমি পাচপোট পাঠায়া দিছি, আমি বললাম বাবা আমি কাজে আছি তোকে পরে ফোন দিতেছি, আর তোর সাথে আর কথা হলো না বাপ। কে যানে এই এক মিনিটঐ তোর শেস কথা ছিলো রে বাপ। কে আর আমাকে আব্বু বলে ডাকবে, কে আর আমাকে বলবে আব্বু বিকাশ নাম্বার দেই, আমার জন্য টাকা পাঠাইছ বাবা আমি কি আর লিখমু ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। তোর এই মৃত্য যে মেনে নিতে পারছি না রে বাপ, তুই তো আমাদের ছেড়ে উপারে চলেগেলি ।উপারে আল্লাহ্ পাক যেন তুকে ভালো রাখে সেই দোয়াই করি। সকলে কাছে আমার আকুল আবেদন, আমি যেন আমার বাবার খুনিদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে পারি এবং আমার কলিজার জন্ম দোয়া করবেন আল্লাহ্ পাক যাতে তাকে জান্নাত দান করে ……….আমিন। আর খুনিদের দরার জন্য এলাকাবাসী এবং চেয়ারম্যান সাহেব এবং আইনের সহযোগিতা চাইছি। আরেক টা কথা বলি দলমত নিবিশেষে খুনি যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাসি দেয়া হোক। যাত আমাদের শান্তপ্রিয় রাজরাজেশ্বর ।দ্বিতীয় আর কোন মায়ের বুক খালি না হয়।

রিশাব মাহমুদ রিয়াজ লিখেছেন, কি অপরাধ ছিল ছেলেটার? কেনই বা এ হত্যাকান্ড? চাদঁপুর সদর উপজেলার ১৪নং রাজরাজেশ্বরে ইউনিয়ন এই ডাঃ হাসান ভাইয়ের ছেলে কে কে বা কারা হত্যা করেছে।আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।প্রশাসনের কাছে অনুরোধ প্রকৃত খুনিদের বের করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করুন।
রাজরাজেশ্বর যুব ঐক্য নামের একটি আইডিতে লিখেছে, খুনিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে এদের কঠিন শাস্তি দেওয়া দরকার আপনারা দোষিদের সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিন পুলিশকে সহযোগীতা করুন অবশ্যই তারা গ্রেফতার হয়ে আইনের আওতায় আসবে, এবং তাদের বিচার এই রাজরাজেশ্বর এর মাটিতেই হবে ইনশাআল্লাহ
মোঃ সোহেল ঢালী লিখেছেন, ছবিতে গলায় গামছা পেচানো একটি মৃত নিথর দেহ পড়ে আছে অবস্থায় দেখতে পাচ্ছেন সবাই ,এই ছেলেটি আর কেউ নয় ,তিনি হচ্ছেন রাজরাজেশ্বরের এক সময়ের জনপ্রিয় ডাক্তার ,সবার কাছে গ্রহনযোগ্যতা প্রিয় ব্যক্তি ,তিনি হলেন শ্রদ্ধেয় বড় ভাই ডাঃ হাসান ভাই এর খুব আদরের বড় ছেলে ,মোঃ হামিদুর রহমান [রিয়াজ বেপারী] যে ছেলেটি গতকাল ও ছিল একটি ফুটফুটে তাজা গোলাপ ,তার বাবা মায়ের বহু প্রতিক্ষিত আশা আক্ষাংখার প্রতিক ,বুকের আদরের মানিক ,আর আজ সেই ছেলেটির নিথর মৃত দেহ তাদের সামনে পড়ে আছে ,আমাদের মনে কোনো কষ্ট পেতাম না যদি আল্লাহ পাক ছেলেটি স্বাভাবিক নিয়মে মৃত্যু দিয়ে পরপারে নিয়ে যেতেন।কিন্তু আমি আজ ব্যক্তিগত ভাবে ,শোকাহত ,মর্মাহত বাকরুদ্ধ ;এই ছেলেটিকে দুষ্কৃতকারিরা এত অল্প বয়সে নির্মম ভাবে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিবে।ভাবতে অবাক রিয়াজের মুখ থেকে কখন ও আর শ্রদ্ধা ভরা সেই চাচা ডাক আর শুনতে পাবোনা।কি দোষ ছিল ,মাত্র চৌদ্দ আর পনের বছরের ছেলেটির ,নরপিশাচরা নির্মমভাবে ছেলেটিকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিল।ইয়াআল্লাহ আপনি রিয়াদ কে জান্নাত বাসি করুন আমিন ।আর দেশের অভিভাবক সহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকতাদের কাছে আমাদের সকলের একটাই দাবি তারা যেনো দ্রুত পদক্ষেপ নেন ;যাতে শান্তিপ্রিয় রাজরাজেশ্বরে আর এরকম অনাকাংখিত ,নির্মম হত্যার শিকার কেউ না হন।
সেলিম বেপারি লিখেছেন, রাজ রাজেশ্ব ইউনিয়নে কখনো তো এমন হত্যার ঘটনা ঘটেনি, হঠাৎ এমন ঘটনায় জনমনে আতংক দেখা দিয়েছে, তাই আমি রাজরাজেশ্বর সন্তান হিসাবে সকলের প্রতি অনুরোধ করছি আপনারা সবাই সজাগ হউন, এবং প্রশাসন কে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করুন ।
আকাশ বন্দুকশী বলতে চেয়েছেন, কি অপরাধ ছিল ছেলেটার? কেনই বা এ হত্যাকান্ড? চাদঁপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বরে ডাঃ হাসান কাকার ছেলে কে,কে বা কারা হত্যা করেছে।আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।প্রশাসনের কাছে অনুরোধ প্রকৃত খুনিদের বের করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করুন।
আর একটা কথা আমি না বলে পারছি না ।রাজরাজেশ্বরে গত কয়েক মাস আগে একটা খুন হয়েছিল ঐ খুনের বিচার কিন্তু আমরা পাইনি। কেন পাইনি কি কারণে পাইনি এটা সবার প্রশ্ন। কিন্তু ঐ খুনের বিচারের দাবিতে আমরা রাজরাজেশ্বর যুব ঐক্যের পক্ষ থেকে মানব বন্ধন করে ছিলাম এখানে আমি বলেছিলাম আজকে আমরা জবেদা আক্তার জবি কে হারিয়েছি কাল আমি হারিয়ে যেতে পারি——–। যদি আমরা ঐ খুনের খুনিদের দরে ন্যায়বিচার পাইতাম তাহলে আজ আমাদের আদরের ছোট ভাইকে হারাতাম না! খুব কষ্ট লাগে আমাদের শান্তি প্রিয় রাজরাজেশ্বরকে অশান্তির কারখানা কারা বানাচ্ছে? আমি রাজরাজেশ্বরের সন্তান হিসেবে রাজরাজেশ্বর বাসিকে বলবো আপনাদের সহযোগীতা থাকলে এই খুনিরা পার পাবে না। দয়া করে আপনারা সবাই খুনিদের ধরিয়ে দিন। খুনি যেই হোক সে অপরাধী। অপরাধী কে আইনের হাতে তুলে দিন। খুব কষ্ট হচ্ছে আমি আপনাদের কে লিখার ভাষায় বুঝাতে পারবো না। সর্বশেষ মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করি আল্লাহ্ যেন তাকে জান্নাত বাসি করেন। আর খুনিদের বিচার এপারে নাহলে যেন পরোকালে যেন হয়।
মাঈনুল ইসলাম লিখছেন, কি হচ্ছে এঘুলা আমাদের রাজরাজেশ্বরে কিছু দিন আগে (জবেয়দা আক্তার জবি)আবার আজকে শ্রদ্ধেয় বড়ো ডাঃ হাসান ভাইয়ের ছেলে কে) কে বা কারা হত্যা করেছে।কি বলবো ভাষাই হারিয়ে ফেলেছি। আমরা রাজরাজেশ্বর বাসী এই খুনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং আমাদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের প্রতি আবেদন জানাই প্রকৃত খুনিদের বের করে আইনের আওতায় আনতে
কি অপরাধ ছিল ছেলেটার? কেনই বা এ হত্যাকান্ড? চাদঁপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বরে( এই ডাঃ হাসান ভাইয়ের ছেলে কে),কে বা কারা হত্যা করেছে।আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।প্রশাসনের কাছে অনুরোধ প্রকৃত খুনিদের বের করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করুন।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














