পর্নোগ্রাফির ভালো দিকও রয়েছে!

আপডেট: ২০১৫-১১-০১ ২০:৩৮:৫৩


porn_89047পর্নোগ্রাফি। শব্দটা শুনলেই শরীরের ভেতরে কেমন এক আদিম চাহিদা তৈরি হয়। সব বয়সীদেরই যৌন সুরসুরি জাগায় অ্যাডাল্ট এ সাইটটি। তাছাড়া প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের একটা বিশেষ চাহিদা হচ্ছে যৌনতা। আর এ যৌন চাহিদা মেটানোর বস্তু যাদের নেই তারা দুধের স্বাধ ঘোলে মেটানোর মত ঝোঁকেন পর্নোগ্রাফির দিকেই।

পর্নোগ্রাফি দেখাকে সব সমাজেই ক্ষতিকর বলে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বিজ্ঞানী নিউটন বলে গেছেন, ‘“প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান এবং বিপরীত প্রতিক্রীয়া আছে।’ সেই সূত্রে খারাপের পাশাপাশি পর্নোগ্রাফি দেখারও রয়েছে ভালো কিছু দিক। ভাবছেন আবোল-তাবোল বকছি। মোটেই তা নয়। পর্নোগ্রাফি দেখার যে কিছু ভালো দিকও রয়েছে এটা আমি বলছি না, বলছে গবেষণা। চলুন তবে জেনেই নেই কি বলছে গবেষণা। কোন ভালো দিক রয়েছে পর্নোগ্রাফি দেখার।

১। যৌন অপরাধঃ গবেষণায় দেখা গেছে,  ইন্টারনেট পর্নো যৌন অপরাধের হার কমায়। ঠিক যেমনভাবে অ্যাকশন মুভিগুলো সমাজে সহিংসতার হার কমায়। সম্প্রতি একটি গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে, মাত্রাতিরিক্ত সহিংস কম্পিউটার গেমগুলো কিশোরদের মধ্যে সহিংসতা অনেক কমিয়ে এনেছে। একই ধরণের ফলাফল যৌন অপরাধের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে।

২। পর্নোস্টারঃ ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফিতে প্রচুর নতুন অভিনেতা অভিনেত্রীর দরকার হয়। তাই এদের অভিনয় দক্ষতার প্রয়োজন খুব একটা হয় না। সামান্য যোগ্যতা নিয়েই যেকোনো বয়সের যে কেউ নিজের আসন পোক্ত করে নিচ্ছে পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে।

৩। তৃপ্ত যৌনজীবনঃ ইন্টারনেট ভিত্তিক পর্নোগ্রাফিগুলো সাধারণত একটু মজাদার হয়, যা যুগলরা খুব মজা নিয়ে দেখে থাকেন। ফলে, এটা যৌনতার ক্ষেত্রে এক ধরণের প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।

৪। নারীদের খেলনা পর্নোঃ যেহেতু অনেকেই মনে করে থাকেন, এক ধরণের অসুস্থতা তাদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে তৈরি পর্নোগুলো বেশ জনপ্রিয়। নারীদের অনেকেই এই ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফিকে যৌন খেলনা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

৫। সহজলভ্যতাঃ এক ক্লিকেই পর্নো এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা, বিনামুল্যে, ঝামেলামুক্ত এবং নিজের মনের মত পরিবেশে পর্নোগ্রাফি দেখা যায়। এটাও ইন্টারনেট পর্নের একটি অন্যতম ইতিবাচক দিক। যেহেতু ইন্টারনেটে  পর্নো দেখার ব্যাপারটি কোনভাবেই আটকে রাখা সম্ভব হয়নি তাই একধরণের উপকারিতা খুঁজে বের করা এক অর্থে মন্দ নয়।

ভালো দিক থাকলেও অতিমাত্রায় পর্নোগ্রাফি দেখলে হতে পারে সামাজিক অবক্ষয়, এমন আশঙ্কাও করছেন গবেষকরা। সব কাজ ফেলে রেখে তাই সব সময় পর্নোগ্রাফি দেখার ইচ্ছে একেবারেই স্বাভাবিক নয়। অনেক সময় স্বামী ঘন ঘন পর্নো ছবি দেখলে স্ত্রী হীনমন্যতায় ভোগেন।  তাই বুঝতেই পারছেন, পর্নো দেখার কিছু ভালো দিক থাকলেও অতিরিক্ত নেশায় সেগুলোও হতে পারে ক্ষতির কারণ।

সানবিডি/ঢাকা/রাআ

Print Print