তারাবুনিয়ার কালো মানিক এখন হাসপাতাল
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০১৮-০৮-১৯ ১২:০২:৫৯
ভেদেরগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আনোয়ার হোসেন মাঝি ঢাকা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে। গত শুক্রবার ব্রেন স্ট্রক করলে তাকে এ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৯৭৩ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
উল্লেখ্য, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এটি ছিলো ইউনিয়ন কাউন্সিল। স্বাধীনতার পরে পরিবর্তন হয়ে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত হয়। এখানে একজন প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়, যিনি ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১৯৭৬ সালে স্থানীয় সরকার আইনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত পরিবর্তন করে ইউনিয়ন পরিষদ করা হয় এবং এর কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। যেখানে একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান,নয়জন নির্বাচিত সদস্য,দুই জন মহিলা সদস্য (মনোনিত) এবং দুইজন কৃষকদের প্রতিনিধি সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়।
এই পর্বেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করেন আলহাজ¦ আনোয়ার হোসেন মাঝি। এর পর ১৯৮৬ সাল থেকে টানা দুই মেয়াদে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আবারও উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। এর বাহিরে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৫ বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানেরে দায়িত্ব পালন করেন। তার চেয়ারম্যানের প্রথম দিকে তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে ছিলো বৃহত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। যেটি পরে ভেঙ্গে উত্তর তারাবুনিয়া, দক্ষিণ তারাবুনিয়া ও চর সেন্সার্স ইউনিয়ন পরিষদে রুপান্তরিত হয়েছে।
তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চেষ্ঠা করেছেন জনগনের সেবা করার। গড়ে তুলেছেন অর্ধশতাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা ও স্কুল। জনগন কোনো সমস্যায় পরলেই দৌড়ে গেছেন তাদের কাছে। নদী মাতৃক এলাকা হওয়ায় এখানকার বেশির ভাগ মানুষ নদীতে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ কওে আসছেন স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত । নদীতে ডাকাতদের নিয়ন্ত্রণ করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন তিনি। তার এই কৃতকর্মের কারণে তাকে এলাকার লোকজন কালো মানিক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
চেয়ারম্যানের খোঁজ-খবর নিতে যোগাযোগ করতে পারেন তার ভাতিজা শাকিল মাঝির নাম্বার – ০১৭১৫১৩২৮৫৭।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













