পাঁচ হাজার কোটি ডলারের পরিকল্পনায় বিমসটেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৮-০৮-৩০ ১৯:২৫:২১
বিমসটেক দেশগুলোর মধ্যে পারষ্পরিক সম্পর্ক ও সহায়তা বৃদ্ধি করতে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ে বিশাল কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সদস্য দেশগুলো। সম্মেলনের পূর্বে সাত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের বিস্তারিত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এসব পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়।
বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের (বিমসটেক)-এর চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন আজ বৃহস্পতিবার শুরু হবে। কাঠমান্ডুর হোটেল সোয়ালটি ক্রাউন প্লাজায় সাতটি দেশের আঞ্চলিক এই জোটের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে শীর্ষ সম্মেলন শুরু হবে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে একটি সেতুবন্ধ তৈরি করা। এই উপ-আঞ্চলিক সংস্থাটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মধ্যদিয়ে গঠিত হয়। এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ৫টি দক্ষিণ এশিয়ার। এগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা। অন্য দুটি দেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ গেওয়ালি বলেন, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনে বিমসটেক ট্রান্সপোর্ট কানেক্টিভিটি মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কাজ করছেন তারা। এ বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়ন হওয়ার কথা রয়েছে এই পরিকল্পনার।
প্রদীপ গেওয়ালি বলেন, এই বিশাল পরিকল্পনায় অনেকগুলো দাতা সংস্থা আগ্রহী। এই প্রকল্পগুলো পরিচালনার জন্য আমরা এডিবি, বিশ্বব্যাংকসহ বেশকিছু সংস্থার কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েছি
এডিবির প্রতিবেদনে পরিবহন, আন্তঃসীমান্ত সুবিধা, সমুদ্রপথে পরিবহন, অবকাঠামো উন্নয়ন, লজিস্টিক সুবিধা, জনসম্পদ উন্নয়ন ও যোগাযোগের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
২০১৪ সালে বিমসটেক ট্রান্সপোর্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড লজিস্টিক স্টাডি নামের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ১৬৭টি প্রকল্পের মধ্যে ৬৬টি প্রকল্পে জোর দেওয়া হয় তাতে।
মন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠকে গেওয়ালি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারষ্পরিক সহযোগিতা নিয়ে গভীরভাবে কাজ করার ব্যাপারে জোর দিয়েছেন এবং বাকি মন্ত্রীদের যোগাযোগ, বাণিজ্য, পর্যটন, জ্বালানি ও কৃষিখাতে জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশে বিমসটেকের স্থায়ী সচিবালয় নির্মাণের ব্যাপারেও এদিন সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ভুটানে কালচারাল ইন্ডাস্ট্রিজ অবজারভেটরি ও ভারতে সেন্টার ফর ওয়েদার অ্যান্ড ক্লাইমেট স্থাপিত হবে।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














