স্বর্ণ চোরাচালানকারী শেখ মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০১৮-০৯-০৬ ২১:০৯:৪৭
প্রায় ৪১ কোটি টাকার অঢেল সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে স্বর্ণ চোরাচালানকারী শেখ মোহাম্মদ আলী ওরফে এসকে মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে চার্জশিটের অনুমোদন দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) চার্জশিটের এ অনুমোদন দেয়া হয় বলে দুদক সূত্র সারাবাংলাকে নিশ্চিত করেছে।
আসামীর বিরুদ্ধে গত বছরের ১৩ নভেম্বর রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ পরিচালক জালাল উদ্দিন আহাম্মদ। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাও তিনি।
আসামি শেখ মোহাম্মদ আলী ওরফে এস কে মোহাম্মদ আলী কর্তৃক দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে মোট ৩০ কোটি ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৬২৩ টাকার ঘোষণা দেন। যেখানে স্থাবর সম্পত্তি ৪ কোটি ৮৮ লাখ ৬৬ হাজার ১৫০ টাকার স্থাবর সম্পদ ও অস্থাবর সম্পত্তি দেখানো হয় ২৫ কোটি ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৪৭৩ টাকার।
কিন্তু দুদকের তদন্তে দেখা যায়, আসামীর নামে গোপনকৃত ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত আরও ৪০ কোটি ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পত্তি রয়েছে। বিবরণীতে দাখিল করা সম্পত্তির বাইরেও রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠা জমি রয়েছে তার নামে, যার মূল্য ৩০ লাখ টাকা। আরও রয়েছে সিলেট শহরে ৬ তলা বাড়ী, যার মূল্য ৯৫ লাখ ১১ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা।
উল্লেখ করা সম্পত্তির বাইরেও তার কাছে ৬১ কেজি ৫৩৮ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যায়, যার দাম ৩০ কোটি ৭৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এর বাইরেও তার কাছে ছিল ৩ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার সৌদি রিয়াল ও বিদেশী মুদ্রা। বাংলাদেশি টাকা হিসেবে নগদ পাওয়া যায় ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ টাকা। ফলে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়ায় ৭১ কোটি ৭০ লাখ ৭৭ হাজার ৯৯৮ টাকা। কিন্তু দুদকে জমা দেয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি ৪০ কোটি ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পত্তির তথ্য গোপন করেন।
দুদক বলছে, পোপনকৃত ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জন ও সম্পদের মিথ্যে তথ্য বিবরণ দিয়ে আসামী শেখ মোহাম্মদ আলী দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ অপরাধে দুদক এই চার্জশিটের অনুমোদন দিয়েছে।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













