বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আকর্ষনীয় স্থান- ডিএসইর এমডি

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৮-১০-৩০ ১৭:১৯:২৭


সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত আকর্ষনীয় স্থান বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান।

সোমবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ট্রাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) ৬০ বছর পূর্তিতে ডিসিসিআই ও ডিএসইর যৌথ উদ্যোগে “গন্তব্য বাংলাদেশ-বৈদেশিক বিনিয়োগের সুযোগ” শীর্ষক ব্যবসায়িক সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাজেদ বলেন, দেশের নীতিনির্ধারকগন জাতীয় অর্থনীতিতে শেয়ারবাজারের অবদান বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যা অত্যন্ত সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ছিল৷ ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর অন্তর্ভূক্তি দেশের অর্থনীতিতে শেয়ারবাজারের অবদান বৃদ্ধির পথ সুগম করেছে। কৌশলগত বিনিয়োগকারীর খোঁজেপৃথিবীর ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ দেখে এটাই প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

তিনি বলেন, সাংহাই ও শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়ামকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে পাওয়া ডিএসইর জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়৷যাদের সম্বলিত মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন ৮ ট্রিলিয়ন ডলার। চীনের এই কনসোর্টিয়ামের সরাসরি বিনিয়োগের ফলে শুধু ডিএসই উপকৃত হবেনা বরং দেশের সমগ্র অর্থনীতি উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট আবুল কাসেম খান বলেন, চীনের শেনঝেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের প্রধান শেয়াবাজার ডিএসইর সাথে যুক্ত হওয়া সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। আর বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়নে স্টক এক্সচেঞ্জ হতে পারে অর্থায়নের বড় উৎস।

শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জের ইন্টারন্যাশনাল ডিপার্টমেন্ট এর পরিচালক মিঃ লি ফুজং চীনা প্রতিনিধিবৃন্দের পক্ষ থেকে এ ধরনের ব্যবসায়িক বৈঠক আয়োজনের জন্য ডিসিসিআই ও ডিএসইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ অত্যন্ত অনুকূল। ব্যক্তি মালিকানাধীন খাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ও বিনিয়োগে চীনা উদ্যোক্তরা আগ্রহী৷