৩৩ শতাংশ ধাতু শিল্পে রফতানি বেড়েছে ভিয়েতনামে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০১৯-০১-০৯ ১৪:৩০:১০


শিল্প ধাতুর অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম মূলত আমদানিনির্ভর দেশ। তবে দেশটি কিছু কিছু ধাতু রফতানিও করে। বিশেষত ভিয়েতনামে উৎপাদিত ইস্পাত ও লোহা প্রতি বছর দেশটির রফতানি আয়ে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা যোগ করে। সর্বশেষ ২০১৮ সালেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। এ সময় ভিয়েতনাম থেকে শিল্প ধাতু দুটির সম্মিলিত রফতানি আগের বছরের তুলনায় সাড়ে ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে গত বছর ভিয়েতনামে ইস্পাত ও লোহা আমদানি কমতির দিকে ছিল। ভিয়েতনাম স্টিল অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর সিনহুয়া ও মেটাল বুলেটিন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ভিয়েতনাম থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৬৩ লাখ টন ইস্পাত ও লোহা রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। এ সময় শিল্প ধাতু দুটি রফতানি করে ভিয়েতনামিজ রফতানিকারকরা মোট ৪৬০ কোটি ডলার আয় করেছে। এক বছরের ব্যবধানে ইস্পাত ও লোহা রফতানি বাবদ দেশটির আয় ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডে সবচেয়ে বেশি ইস্পাত ও লোহা রফতানি করেছে ভিয়েতনাম।

রফতানি বৃদ্ধির বিপরীতে গত বছর ভিয়েতনামে ইস্পাত ও লোহা আমদানিতে মন্দাভাব বজায় ছিল। বছরজুড়ে দেশটির বাজারে শিল্প ধাতু দুটির সম্মিলিত আমদানি দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৬ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এ সময় ইস্পাত ও লোহা আমদানি বাবদ ভিয়েতনামিজ আমদানিকারকদের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৯৯০ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে শিল্প ধাতু দুটির আমদানি বাবদ দেশটির ব্যয় কমেছে ৯ শতাংশ। এর মধ্য দিয়ে ভিয়েতনামের রফতানি আয় বেড়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি আরো ত্বরান্বিত হতে পারে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে শিল্প ধাতুর বাজারে দেশটির আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে রফতানিমুখী হওয়ার আভাস মিলেছে।