অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান খুঁজছে বিবিএস

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০১-১৭ ১৬:১৮:৪৩


৩৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান খুঁজে বের করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এজন্য ‘কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি-২০১৮’ নামের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন । ইতিমধ্যেই শুমারির প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চূড়ান্ত করেছে সংস্থাটি।

এই শুমারির প্রথম জোনাল অপারেশন কার্যক্রম সমাপ্ত হওয়ার পর আগামী ৯ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে মাঠ পর্যায়ে দ্বিতীয় জোনাল অপারেশন।

এছাড়া আগামী ৬-২০ মে অনুষ্ঠিত হবে মাঠ পর্যায়ের চূড়ান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ। গত ৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় প্রকল্পটির স্টিয়ারিং কমিটির তৃতীয় সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। ওই সভার কার্যবিবরণী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে কৃষিশুমারি-২০১৮ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরই মধ্যে গত ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত প্রকল্পটির ক্রমপুঞ্জিত আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে ৮ শতাংশ।

স্টিয়ারিং কমিটির সভায় প্রকল্প পরিচালক জাফর আহম্মদ খান জানান, প্রকল্পের অনুকূলে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড হতে ৫০টি ডাবল কেবিন পিক আপ, একটি মাইক্রোবাস কেনা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে ৪৯টি ডাবল কেবিন পিকআপ পাঠানো হয়েছে। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রকল্পের জন্য ১২ জন গাড়িচালক, ৫ জন টাইপিস্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর ও তিন জন অফিস সহকারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

শুমারি পরিচালনার প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম হিসেবে ইতিমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে বিবিএসের জনবল ব্যবহার করে প্রথম জোনাল অপারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় ১-২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এছাড়া  প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র যেমন ফটোকপিয়ার, লেজার প্রিন্টার, ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ ক্রয় করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন পর্যায়ে টেকনিক্যাল কমিটি, স্টিয়ারিং, প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওয়াকিং, প্রচার এবং দরপত্র মূল্যায়ন ও উন্মুক্তকরণ কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই টেকনিক্যাল কমিটির ৩টি, স্টিয়ারিং কমিটির ৩টি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ৪টি, ওয়ার্কিং ও প্রচার কমিটির ২টি করে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুমারি কার্যক্রম দুই পর্যায়ে করার কথা থাকলেও সভায় পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েন বিবিএসের নিজস্ব জনবল দিয়ে শুমারি কার্যক্রম দুই ধাপে সম্পন্ন করা ঠিক হবে না বলে মত দেন।