বানিজ্য মেলায় ইগলুর ৪০টি স্টলের মধ্যে ৪ বৈধ
সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০১-২০ ১০:৫৪:৪৫
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অবৈধ্য স্টলের ছাড়াছড়ি।এর মধ্যে ইগলু আইসক্রিমেরই রয়েছে ৩৬টিরও বেশি স্টল।
ইগলু আইসক্রিম বিক্রেতা মো. মান্না বলেন, ‘মেলা প্রাঙ্গণে শুধু ইগলু আইসক্রিম বিক্রির জন্য স্টল আছে ৪০টি। এর মধ্যে আমরা চারটি স্টল নিয়েছি। এসব স্টল নিতে ইপিবিকে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ এক লাখ ৯২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। তবে স্টল বসাতে এক একটার জন্য দেড় লাখ টাকার ওপরে খরচ হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা দালালদের দিতে হয়েছে। মেলার মাঠের ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত মুকুল ভাই আমাদের বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।’ এ সময় ইপিবির উপ-সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফের সই করা একটি বরাদ্দপত্র দেখান মান্নান।
তবে মেলা প্রাঙ্গণের ভেতরে স্টল বসানোর ব্যবস্থা করে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেলা মাঠের ইজারা পাওয়া প্রতিষ্ঠান মীর ব্রাদার্সের কর্ণধার মীর শহিদুল আলম। তিনি বলেন, ‘আমাদের কেউ মেলার মাঠে স্টল বসানোর কাজ করছে না। কেউ এমন অভিযোগ করলে তা মিথ্যা। আমরা স্টল বসানোর কোনো দায়িত্বে নেই।’
এ সময় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মুকুল তো আপনার আত্মীয়, তার বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ উঠছে। উত্তরে শহিদুল বলেন, ‘এখানে (মেলায়) তো আমার আত্মীয় অনেক। যারা আমার কার্ডধারী ভলেন্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করছে তারা কেউ এসবের সঙ্গে জড়িত নয়। এসব অভিযোগ মিথ্যা।’
এদিকে শনিবার দুপুরে ইপিবির উপ-পরিচালক আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে কয়েকটি স্টল ভেঙে দেয়া হলেও লে-আউট প্ল্যানবহির্ভূত সিংহভাগ স্টল কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে।
অভিযান চালানোর সময় আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মেলার ভেতরে অনেক স্টল আছে যেগুলো অবৈধ। ইপিবি থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো অনুমোদন দেয়া হয়নি। তারপরও অবৈধভাবে তারা ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এজন্য এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। যাদের কাছে ইপিবির অনুমোদনপত্র আছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।’






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














