আর্টিজান হামলার অর্থ, অস্ত্র সরবরাহকারী মামুনুর রশদি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০১৯-০১-২০ ১২:৩০:০৪


গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে মামুনুর রশদি ওরফে রিপন ওরফে রেজাউল করিম ওরফে রেজা গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।রিপন রাজধানীর গুলশান হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার অর্থ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী।রোববার (২০ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘গ্রেফতার মামুনুর রশীদ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। সে জেএমবির শুরা পরিষদের অন্যতম সদস্য। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে কাওরান বাজার মিডিয়া সেন্টারে বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।’

গত বছরের ২৬ নভেম্বর ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট আদালতে চার্জশিট দিলে ৩ ডিসেম্বর এই মামলার সাক্ষ্য শুরু হয়। বর্তমানে এই মামলার বিচার কাজ চলছে।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন—রাজীব গান্ধী, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন। এখন শুধু শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ পলাতক রয়েছে।

হলি আর্টিজান হামলার ঘটনার পর তদন্তে ২১ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ পান কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যে পাঁচজন ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন জঙ্গি অভিযানে আরও আটজন মারা যায়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে হলি আর্টিজান রোস্তোরাঁয় হামলা চালায় জঙ্গিরা। তারা অস্ত্রের মুখে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জিম্মি করে। ওই রাতে জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডের আঘাতে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডোদের অভিযানে পাঁচ জঙ্গিসহ ছয়জন নিহত হয়। পরে পুলিশ ১৮ বিদেশিসহ ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করে।