কোটি কোটি টাকার গাড়ি অযত্নে নষ্ট হচ্ছে ঢাকা কাস্টমসে
নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০১৯-০১-২৪ ১৪:১৮:৪৩
শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে আমদানি, কারনেট ডি প্যাসেজ সুবিধা, ডিপ্লোম্যাটিক ও প্রিভিলেজ সুবিধার অপব্যবহার করে আমদানির অভিযোগ থাকায় শুল্ক গোয়েন্দারা গাড়িগুলো জব্দ করা কোটি কোটি টাকা দামের বিলাসবহুল গাড়ি অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে।
সাধারণত কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এর ধারা ২ এর এফএস ও ধারা ১৫ ও ১৬ লঙ্ঘন হলে শুল্ক গোয়েন্দা বিলাসবহুল এ সব গাড়ি জব্দ করে থাকেন। আর কাস্টমস আইনের ধারা ১৫৬ অনুযায়ী বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে কাস্টমস হাউসগুলো।
ঢাকা কাস্টমসে গাড়ি রাখার কোনো শেড (নির্ধারিত গুদাম) নেই। এনবিআর যদি কোনো শেড বা গাড়ি রাখার অবকাঠামো করে দিতে পারে তাহলে জব্দ হওয়া বিলাসবহুল গাড়িগুলো আর নষ্ট হবে না। তবে অবাক করার বিষয় হচ্ছে, গাড়িগুলো সুরক্ষিতভাবে রাখতে নির্ধারিত গুদাম নির্মাণে (শেড) এনবিআরের সঙ্গে ঢাকা কাস্টমসের বিগত দুই কমিশনার লুৎফর রহমান ও প্রকাশ দেওয়ান (বর্তমানে দুই জনই এনবিআরের মেম্বার) আলোচনা করলেও কোনো সুফল মেলেনি। আর কাস্টমস হাউসে রাখা গাড়িগুলো ২০০০ সালের আগের ও পরের সিরিয়ালের। ফলে নিলামে তোলা হলেও বর্তমানে পর্যাপ্ত রাজস্ব পাওয়া যাবে কিনা সেটা নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।
ঢাকা কাস্টমস হাউসে শুল্ক গোয়েন্দাদের আটক করা বিএমডাব্লিউ, রেঞ্জ রোভার, পোরশে, পাজেরো, টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার, ল্যান্ড রোভার ও মার্সিডিজ এর মতো দামি গাড়ি রয়েছে। কিন্তু গাড়িগুলো শুল্ক গোয়েন্দা হস্তান্তর করার পর ঢাকা কাস্টমস হাউসের নির্দিষ্ট কোনো শেড বা অবকাঠামো না থাকায় কাস্টমস ভবনের পেছনের মসজিদের পাশে খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে জব্দ গাড়িগুলোর মামলা নিষ্পত্তি করতেও বছরের পর বছর পেরিয়ে যায়। আবার অনেক সময় মালিকানা না থাকায় গাড়িগুলো নিষ্পত্তি করতেও সমস্যায় পড়তে হয়।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














