ডাকসুতে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে আলোচনায় যারা
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আপডেট: ২০১৯-০২-০৫ ১০:২১:০৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ছাত্র নেতাদের তুমুল দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। প্রার্থী হতে রাত বিরাত পর্যন্ত মূল দল ও ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তারা।
কেন্দ্রীয় ও হল সংসদের প্রধান তিন পদ ভিপি-জিএস ও এজিএসের জন্যই লবিং-তদবির বেশি। এ তিন শীর্ষ পদে প্রার্থী হতে না পারলে অন্তত ২২ সদস্যের ছাত্র সংসদের যেকোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনয়ন বগলদাবা করার চেষ্টাও রয়েছে অনেকের মধ্যে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীয়াশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচিতি আছে, নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর রেকর্ড নেই, ফল ভালো এবং সাংগঠনিক প্রজ্ঞার অধিকারীদেরই ভিপি-জিএস-এজিএস পদে ভাবা হচ্ছে।
পাশাপাশি আদর্শিক মিল আছে- এমন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের শীর্ষ নেতাদেরও নেয়া হতে পারে প্যানেলে। হল সংসদে শাখার বর্তমান কমিটির শীর্ষ নেতা এবং যারা নতুন করে শীর্ষ পদপ্রত্যাশী তারা অগ্রাধিকার তালিকায়।
প্যানেলে চমক রাখার চেষ্টা করছে সংগঠনগুলো। জোটগতভাবে ভোটে অংশ নেয়া ছাড়াও ৫টি ছাত্রী হলের প্রায় ১৫ হাজার নারী ভোটারকে টার্গেট করে পর্যাপ্ত সংখ্যক ছাত্রী, ১৬ হাজারের মতো অনাবাসিক ভোটারের কথা চিন্তা করে হলের বাইরের শির্ক্ষার্থীদেরও প্যানেলে রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। অঞ্চলভিত্তিক ভোট টানার বিষয়টিও মাথায় রাখা হচ্ছে।
ছাত্রলীগ ১৪ দলের ছাত্র সংগঠনগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ভোটযুদ্ধে নামবে। এ লক্ষ্যে ছাত্রমৈত্রী, ছাত্র আন্দোলন, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্রলীগ (বিসিএল) ও ছাত্র সমিতির সঙ্গে কথাবার্তা চলছে।
ছাত্রলীগ
ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্রশাসন ছাত্র সংগঠনগুলোর যে ৫২ শীর্ষ নেতাকে চিঠি দিয়েছে, তাদের মাত্র ৬ জন নিয়মিত অনার্স ও মাস্টাসের্র ছাত্র। বাকিদের বড় একটি অংশ সান্ধ্যকালীন কোর্স, স্পেশাল মাস্টার্সসহ বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি আছেন।
মূলত এদের মধ্য থেকেই ভিপি-জিএস পদে প্রার্থী দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এবং ঢাবি শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। তাদের বয়সও ৩০ এর মধ্যে। ফলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনকে ভিপি-জিএস পদে ভাবা হচ্ছে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্যবিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্সও আলোচনায় আছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, প্যানেল গঠনে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সমন্বয়ে মনোনয়ন বোর্ড হবে। তারাই প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন। মেধাবী, ক্লিন ইমেজ এবং ছাত্রবান্ধব নেতারাই আসবে প্যানেলে।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














